ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি সিমন পেরেস ঘোষণা করেছেন যে, প্যালেস্টাইন-ইজরায়েল বিরোধ সমাধানের কাজে দ্রুত প্রগতির সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন, তিনি প্যালেস্টাইনের নেতা মাখমুদ আব্বাসকে বলেছেন এই লক্ষ্যপথে চলার সহকর্মী ও আরব্য শান্তি উদ্যোগ, যেখানে সমস্ত অধিকৃত জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেটিকে স্ট্র্যাটেজিক সম্ভাব্য বলে উল্লেখ করেছেন.

আমরা আমাদের প্যালেস্তিনীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনা প্রক্রিয়ায় প্রত্যাবর্তণ করবো ও শান্তি ফিরিয়ে আনবো, রাষ্ট্রপতি আব্বাস, আপনি আমাদের - সহকর্মী. আমরা দ্রুত প্রগতি করতেই পারি ও তা করাই উচিত্ - বলেছেন পেরেস.

আরও দশ বছর আগে আরব লীগের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত ১৯৬৭ সালে অধিকৃত সমস্ত জমি ফিরিয়ে দেওয়া ও বহু লক্ষ প্যালেস্তিনীয় উদ্বাস্তুর ন্যায্য ভাগ্য নির্ধারণের বিনিময়ে শান্তির চুক্তিকে সিমন পেরেস বলেছেন সংজ্ঞাবহ পরিবর্তন ও স্ট্র্যাটেজিক সম্ভাবনা. তা যুদ্ধ পরিকল্পনাকে শান্তি প্রয়াসের শুভ চিন্তা দিয়ে স্থানান্তরিত করতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন ইহুদী রাষ্ট্রের অধিনায়ক.

রবিবার দিনে জর্ডনে মার্কিন রাষ্ট্র সছিব জন কেরি ও প্যালেস্তিনীয় রাষ্ট্রপতি মাখমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি সিমন পেরেস অংশ নিয়েছেন. যদিও বর্তমানে তিনি ইজরায়েলে কোন প্রকৃত রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োগের অবস্থানে নেই ও ৮৯ বছরের এই নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নেতার নিকটপ্রাচ্যে শান্তি প্রয়াস নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গী বেশীর ভাগ দক্ষিণ পন্থী প্রশাসনের সঙ্গে খাপ খায় না.

আব্বাস পেরেসের সঙ্গে হাস্য বিনিময় ও করমর্দন করেছেন এবং তিনি ঘোষণা করেছেন যে, শান্তির সময় এসেছে, কিন্তু এই প্রয়াসে গতি না থাকার জন্য ইজরায়েলকেই দোষ দিয়েছেন আর বলেছেন যে, কোন রকমের মাঝামাঝি অবস্থানে সমঝোতা হতে পারে না.

 জন কেরি প্যালেস্টাইনে চারশো কোটি ডলার বিনিয়োগ পাওয়ার সম্ভাবনা ও যার ফলে দেশের অর্থনীতির দেড় গুণ বেড়ে যাওয়া, যথেষ্ট কর্মসংস্থান, যাতে দুই তৃতীয়াংশ বেকারের কর্ম সংস্থান হতে পারে এবং গড় বেতন শতকরা চল্লিশ ভাগ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন. 

এর উত্তরে আব্বাস বলেছেন যে, দেশের সীমান্ত বা শান্তির বিনিময়ে অর্থনৈতিক লাভকে তাঁরা মেনে নিতে পারবেন না, এর জন্য রাজনৈতিক পথেই সবাইকে চলতে হবে.