রাশিয়ার “গাজপ্রোম” কোম্পানির শাখা – গাজপ্রোম ইন্টারন্যাশানাল কোম্পানি বাংলাদেশে “শ্রীখৈল-৩” খনির পরীক্ষা শুরু করেছে. কোম্পানির খবরে বলা হয়েছে যে, পরীক্ষার সময়ে দিনে সর্বাধিক ৪ লক্ষ ১৩ হাজার ঘন মিটার প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গেছে. সমস্ত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর খনির নির্মাণ-কাজ শেষ করার পরিকল্পনা আছে এবং ড্রিলিং সরঞ্জাম অন্য জায়গায় – “বেগমগঞ্জ” খনিতে নিয়ে যাওয়ার কথা. বাংলাদেশের “বাপেক্স” এবং “বি.জি.এফ.সি.এল /এস.জি.এফ.এল” কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী ২০১৩ সালের মার্চের গোড়া থেকে ড্রিলিং করা হচ্ছে. এখন পর্যন্ত দুটি কূপ ড্রিল করা শেষ হয়েছে – “শ্রীখৈল-৩” (গভীরতা-৩৩৫০ মিটার) এবং “তিতাস-২০” (গভীরতা ৩৫৩২ মিটার). আগে জানানো হয়েছিল যে, “গাজপ্রোম ইন্টারন্যাশানাল” কোম্পানি ২০১২ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদের রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশনের (“পেট্রোবাংলা”) শাখা – “বাপেক্স” ও “বি.জি.এফ.সি.এল/এস.জি.এফ.এল” কোম্পানির সাথে ১০টি ড্রিল-হোল ডিজাইন ও নির্মাণের দুটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল. “বাপেক্স” কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী পাঁচটি কূপ ড্রিল করার কথা, যার চারটি রয়েছে “তিতাস” খনির এলাকায়, আর একটি – “রশিদপুর” খনির এলাকায়. অন্য কোম্পানির সঙ্গেও পাঁচটি কূপ ড্রিল করার কথা – “সেমুতাং”, “বেগমগঞ্জ” ও “শ্রীখৈল” এলাকায় একটি করে এবং “শাহবাজপুর” খনির এলাকায় দুটি. বাংলাদেশের নিজস্ব প্রাকৃতিক গ্যাস নিষ্কাশন বাড়ানো প্রয়োজন. বর্তমানে দেশের বার্ষিক চাহিদা ২১০০ কোটি ঘন মিটার গ্যাসের, যা প্রধাণত ব্যবহৃত হচ্ছে বিদ্যুত্ কেন্দ্রে এবং খনিজ সার উত্পাদনের কারখানায়.