প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বৃটিশ গোয়েন্দা বিভাগ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের নির্দেশে লন্ডনে জাপানের দূতাবাসের কর্মীদের টেলিফোন আলাপ ফলপ্রসূভাবে শোনার ব্যবস্থা করেছিল এবং বিশেষ করে, জানতে পেরেছিল যে, ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসেই তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেকোনো সময়ে ঐ দেশ ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে. এ থেকে সিদ্ধান্তে আসা হয় যে, টোকিও হিটলারী জার্মানির সাথে জোটে এশিয়ায় বৃটিশ সাম্রাজ্যের দেশগুলি আক্রমণ করতে চায়, প্রমাণ দেয় দলিল, যা গ্রেট-বৃটেনের জাতীয় মহাফেজখানা আজ তা থেকে গোপনীয়তার মোহর সরিয়ে নিয়েছে. টোকিওর প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে যে, সম্ভাব্য দেশ-ত্যাগ সম্পর্কে গোপন নির্দেশনামা দিয়েছিলেন লন্ডনে জাপানের রাজদূত মামোরু সিগেমিত্সু, যিনি পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন.