এই বিষয়ে “রাশিয়া – ২৪” টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন এই আরব প্রজাতন্ত্রের তথ্য মন্ত্রী ওমরান আজ- জৌবি. এর আগে “বিবিসি” সংস্থার সাইটে একটি টেলিভিশন চিত্র দেখানো হয়েছিল, যাতে দেখা গিয়েছিল, যে একটি পরিচয় জ্ঞাপনের চিহ্ন বিহীণ হেলিকপ্টার থেকে একটি টিন ফেলা হয়েছিল, যা পড়ার সময়ে ধোঁয়ার চিহ্ন রেখে ছিল. এটা অবশ্য বোঝা সম্ভব নয় যে, এটাই রাসায়নিক অস্ত্র. আর যদি তা হয়ও, তবে – কে এই টিন ফেলেছে. মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কোন রকমের প্রমাণ এই অদ্ভুত চিত্রটি ছাড়া সারাকিব শহরে সিরিয়ার সেনা বাহিনী রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে বলে. আজ- জৌবি উল্লেখ করেছেন যে, সেখানে বলা হয়েছে যে, এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু যদি হেলিকপ্টার থেকে এক ব্যারেল বিষাক্ত পদার্থ ফেলা হত, তাহলে অনেক হাজার নিহত দেখা যেত. তাঁর কথামতো, “সরকারি ফৌজ কোন দিনও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে নি, যা জঙ্গীরা করেছে. আর আলেপ্পো শহরের উপকণ্ঠে, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদীরা যুদ্ধে ব্যবহারের রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল, তাতে অনেক লোক মারা গিয়েছিলেন. আমাদের তথ্য অনুযায়ী আলেপ্পো শহরের উপকণ্ঠে জঙ্গীরা যে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছিল, তা ছিল তুরস্ক থেকে নিয়ে আসা” - বলেছেন ওমরান আজ- জৌবি. “আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে, আন- নুসরা গোষ্ঠীর জঙ্গীরা তুরস্ক থেকে রাসায়নিক অস্ত্র পেয়েছে”.