জাপানের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শদাতা ইসাও ঈদজিমার সঙ্গে আলোচনার পরে ঘোষণা করেছেন যে, তাঁরা উত্তর কোরিয়াতে ১৯৭০ সালের মাঝামাঝি থেকে বন্দী করে রাখা জাপানের নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে দেশের নেতা কিম চেন ঈনের গোচরে আনার জন্য ইচ্ছুক. এই বিষয়ে খবর দিয়েছে এনএইচকে টেলিভিশন চ্যানেল জাপানের কূটনীতিবিদের পিয়ংইয়ং সফরের খুঁটিনাটি বিষয়ে অবহিত উত্সের উল্লেখ করে.

ইসাও ঈদজিমা উত্তর কোরিয়াতে এক আচমকা সফরে এসেছেন ১৪ই মে চিন হয়ে. তিনি উত্তর কোরিয়ার পক্ষকে অবিলম্বে সমস্ত জাপানী নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার দাবী করেছেন, যাঁদের উত্তর কোরিয়া ধরে রেখেছে ও তাঁদের বিষয় সম্বন্ধে সম্পূর্ণ তথ্যও দাবী করেছেন.

টেলিভিশনের উত্স থেকে যা বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে, তা হল উত্তর কোরিয়ার প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে দেশের নেতার সঙ্গে পরামর্শ করতে রাজী হয়েছেন, আর তারপরে সরকারি ভাবে উত্তর দেবেন বলে জানিয়েছেন.

টোকিও জোর দিয়েছে যে, উত্তর কোরিয়ার গুপ্তচর বিভাগ জাপানের ১৭ জন নাগরিককে অপহরণ করেছিল. উত্তর কোরিয়া শুধু ১৩ জনের অপহরণের কথা স্বীকার করেছিল. জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জ্যুনইতিরো কোইদজুমি উত্তর কোরিয়া সফর করার ফলে ২০০২ ও ২০০৪ সালে পাঁচজন অপহৃত জাপানী নাগরিক দেশে ফিরে আসতে পেরেছিলেন. বাকী আট জন ব্যক্তি, উত্তর কোরিয়ার পক্ষের তরফ থেকে জোর দিয়ে বলা বক্তব্য অনুযায়ী মৃত. কিন্তু জাপান মনে করে এঁদের মৃত্যুর বিষয়ে যে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয় ও তারা সমস্ত বন্দীকেই ছেড়ে দেওয়ার দাবী করেছে.