রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ বোঝেন না, বিশ্বের প্রচার মাধ্যম কেন সিরিয়ায় রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহের বিষয় নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করছে. সোচি শহরে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, রাশিয়া কখনও লুকায় নি যে, সিরিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করছে আগে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী. সেই সঙ্গে পক্ষদ্বয় কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে নি. লাভরোভ জোর দিয়ে বলেন যে, রাশিয়া সিরিয়াকে সরবরাহ করছে সর্বপ্রথমে প্রতিরক্ষার অস্ত্রশস্ত্র এবং আকাশ-বিরোধী প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা. মন্ত্রী সিদ্ধান্ত টেনে বলেন, তা এ অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য লঙ্ঘন করে না, এবং বিরোধীপক্ষের সাথে সংগ্রামে কোনো প্রাধান্যও জোগাবে না. আগে “নিউ-ইয়র্ক টাইমস” পত্রিকা নাম না জানানো মার্কিনী আমলাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছিল যে, রাশিয়া সিরিয়ায় এক ক্ষেপ “ইয়াখন্ত” মার্কা উন্নত নিশানা ব্যবস্থা সম্বলিত জাহাজ-বিরোধী রকেট পাঠিয়েছে. মার্কিনী বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন রকেট দামাস্কাসকে ফলপ্রসূভাবে পশ্চিমী দেশগুলির নৌবাহিনীকে প্রতিরোধ করতে পারবে, যদি, দৃষ্টান্ত স্বরূপ, তারা সামুদ্রিক অবরোধ সৃষ্টির চেষ্টা করে. প্রসঙ্গত, ২০১১ সালেই মস্কোয় ওয়াকিবহাল সামরিক-কূটনৈতিক উত্স “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে জানিয়েছিল যে, রাশিয়া সিরিয়ায় “ইয়াখন্ত” মার্কা ক্রুইজ মিসাইল সম্বলিত উপকূলে স্থাপনের “বাস্তিওন” সমাহার পাঠিয়েছে, ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির কাঠামোতে. আর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার বাহিনী তা সকলের দেখার জন্য প্রদর্শনও করেছিল. এজেন্সির অন্য এক উত্স জানিয়েছিল যে, সে সময়ে দামাস্কাস অন্ততপক্ষে দুটি বাস্তিওন সমাহার পাওয়ার আশা করেছিল, যার প্রত্যেকটিতে ৩৬টি করে "ইয়াখন্ত" মার্কা রকেট থাকবে.