বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের বর্ধিতাংশ আঘাত হেনেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভোলা ও বরগুনা জেলায় ছয়জন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল স্থানীয় গণমাধ্যম। তাদের মৃত্যু হয় গাছ চাপায়। ওই সব এলাকাগুলোতে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও গাছপালা উপড়ে গেছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটারের বেশি বেগে বইছে। ঝড়ের সময় ৩ মিটার উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ গতিবেগ হারিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। দমকা বাতাসের সাথে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ এর প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা থেকে এ পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় সাত লাখ মানুষকে। বন্ধ রয়েছে কক্সবাজার বিমানবন্দর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর। ঝড় শুরু হওয়ার আগেই পর্যটন নগরী কক্সবাজারসহ উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাতে শ্রীলংকায় ৭ জন নিহত হয়েছে। এখন অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের প্রায় ৮২ লক্ষ মানুষ এই ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকায় রয়েছেন এবং ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে|