২৪শে এপ্রিল ঢাকার উপকণ্ঠে ভবন ধ্বসে পড়ার ফলে যে বিপুল সংখ্যক লোক নিহত হয়েছিল, তা ১৯৮৪ সালে ভারতের ভোপাল শহরের বিপর্যয়ের পরে বিগত ৩০ বছরে সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত বিপর্যয়, লিখেছে “চিকাগো ট্রিবিউন” পত্রিকা. বর্তমানে সৈন্যবাহিনী ভবন ধ্বসে পড়ার জায়গায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ শেষ করছে. সৈন্যবাহিনীর ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম বলেছেন, “উদ্ধার-কর্মীরা ভবনের ভিত অবধি পৌঁছেছে, যেখানে নিহতদের শবদেহ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম”. শেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বেআইনীভাবে নির্মিত এ ভবন ধ্বসে পড়ায় নিহত হয়েছে ১১২৭ জন. আগে ধ্বংস-স্তূপের তলা থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার জনকে. ১৯৮৪ সালের ৩রা ডিসেম্বর ভোপালে ইউনিয়ন কার্বাইড কোম্পানির রাসায়নিক কারখানায় বিপর্যয়ের সময়েই মারা গিয়েছিল ৩ হাজার জন, আরও ১৬ হাজারেরও বেশি লোক পরবর্তী বছরগুলিতে মারা যায় শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক বস্তুর প্রভাবে.