পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সোমবার শুরু হওয়া জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা করা ও মাইন-বিরোধী সংগ্রাম সংক্রান্ত ব্যাপক পরিসরের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক মহড়া নিছক প্রতিরক্ষাত্মক চরিত্রের এবং তা ইরান অথবা এ অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকে বিপন্ন করে না. এ সম্বন্ধে জানিয়েছে “ফ্রান্স প্রেস” সংবাদ এজেন্সি. “আই.এম.এস.এম.এক্স-১৩” নামাঙ্কিত এ মহড়া ১৩ই থেকে ৩০শে মে পরিচালনার ব্যবস্থা করেছে মার্কিনী নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের অধিনায়কমন্ডলী এবং সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় অধিনায়কমন্ডলী, এবং তাতে অংশগ্রহণ করবে ৪০টিরও বেশি দেশের নৌবাহিনী. মহড়ায় ব্যবহৃত হবে ৩৫টি জাহাজ এবং ১৮টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত সাবমেরিন. পারস্য উপসাগরের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল ২০১২ সালের গোড়ায়, ইরানের সামরিক অধিনায়কমন্ডলীর এ বিবৃতির পরে যে, তাদের হাতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সুযোগ-সম্ভাবনা আছে, যা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল পরিবহণের মুখ্য সামুদ্রিক পথ. এ বিবৃতির পরে মার্কিনী সৈন্যবাহিনীর তরফ থেকে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, এবং এ অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের জন্য কোনো বাধা ঘটতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়. সম্প্রতিকালে ইরানের কর্তৃপক্ষ হরমুজ প্রণালী সম্পর্কে কোনো রকম বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে.