মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আজ পর্যন্ত সিরিয়ায় কারা রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই. ওয়াশংটনে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জে কার্নি এই কথা বলেছেন, তবে গত শুক্রবার বিদেশ সচিব জন কেরি বলেছিলেন, যে সিরিয়ার শাসকরা যে বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করেছে, তার অকাট্য প্রমাণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আছে. কার্নির কথায়, গুপ্তচরদের দেওয়া তথ্যাবলীর ভিত্তিতে সিরিয়ায় গণ মারণাস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্নটি যাচাই করা ও সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হতে হবে. তাই তদন্ত চলছে. ওয়াশিংটন তার মিত্র দেশগুলি ও জাতিসংঘে শরিকদের সাথে একত্রে এই বিষয়ে বোঝাপড়ার মাধ্যমে এগোনোর সংকল্প করেছে.

ইতিপূর্বে রাশিয়া ও আমেরিকা সিরিয়ায় সম্ভাব্য রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগের প্রশ্নে দুই দেশের বিশেষ বিভাগদের মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে কার্যকলাপ সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নেয়. জন কেরির সাথে মস্কোয় বৈঠকের পর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লের্গেই লাভরোভ বলেছেন, যে রাশিয়াও সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগ নিয়ে আমেরিকার চেয়ে কম উদ্বিগ্ন নয়.