তুরস্ক ও ইস্রাইল কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা জেরুসেলামে আলাপ-আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছেন, “মুক্তির নৌবহর” আক্রমণের সময় নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যাপারে. চুক্তি এখনও স্বাক্ষরিত হয় নি, তবে বেশির ভাগ প্রশ্ন মীমাংসিত হয়েছে. অসমাধিত সমস্যা এত কম রয়ে গেছে যে, কারুর সন্দেহ নেই যে আরও শুধু একটি সাক্ষাতেরই প্রয়োজন আছে, জানিয়েছে ইস্রাইলের “নবম চ্যানেল” কূটনৈতিক উত্সকে উদ্ধৃত করে. ইস্রাইল ও তুরস্কের মাঝে সম্পর্কের অবনতি ঘটে ২০১০ সালে ইস্রাইলী নৌবাহিনী তথাকথিত “মুক্তির নৌবহর” আক্রমণের পরে, যা মানবতাবাদী সাহায্যের জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছিল গাজা অঞ্চলে. আক্রমণের ফলে তুরস্কের নয় জন সক্রিয় কর্মী নিহত হয়. মার্চ মাসের শেষে ইস্রাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু টেলিফোন আলাপের সময় তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেজেপ তাইইপ এর্দোগানের কাছে ক্ষমা চান “মুক্তির নৌবহর” সংক্রান্ত ঘটনার জন্য. ইস্রাইলের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, “মুক্তির নৌবহরের” কর্মীদের বিরুদ্ধে ইস্রাইলী সৈনিকদের আক্রমণের “ট্র্যাজিক ফলাফল” ছিল অনিচ্ছাকৃত, এবং তিনি মানুষের জীবনের ক্ষতিতে “দুঃখ প্রকাশ করেন”. তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা গ্রহণ করেন এবং সম্মত হন যে, তুরস্ক ও ইস্রাইলের সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন.