অত্যন্ত ঘনঘন কূটনৈতিক সাক্ষাত্কার ও পরামর্শের ফলে চিনের পক্ষের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়েছে ও তার পরিসরে পরিস্থিতির সমাধান করা সম্ভব হয়েছে, - বলেছেন আইএএনএস সংস্থাকে ভারতীয় প্রশাসনের এক উত্স. গতকাল ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর কর্মীরা নিজেদের অবস্থানের এলাকায় ফিরে আসা শুরু করেছেন.

 ভারত ও চিনের মধ্যে হিমালয় পর্ব্বত এলাকার কাশ্মীর সংলগ্ন ক্ষেত্রে ও অরুণাচল প্রদেশে সীমান্ত বিবাদ দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে ও তা আরও প্রকট হয়েছিল ১৯৬২ সালে চিনের ভারত আক্রমণের সময়ে. যে যুদ্ধে ভারতীয় বাহিনী পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিল.

 ২০১৩ সালের ১৫ই এপ্রিল চিনের বাহিনী ভারতীয় লাদাখ সন্নিহিত দৌলত বেগ এলাকার ১৯ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে পড়ে ও তার পরে অন্যান্য সময়ের মতো ফিরে না গিয়ে সেখানেই তাঁবু খাটিয়ে থাকতে শুরু করেছিল, একই সঙ্গে অন্য সীমান্ত এলাকাতেও সামরিক হেলিকপ্টার অনুপ্রবেশ ঘটেছিল.

 এর আগে ভারতীয় ও চৈনিক সামরিক স্থানীয় নেতৃত্বের কয়েকটি সাক্ষাত্কারে কোনও ফল না হওয়াতে ভারতীয় পক্ষ থেকে এই এলাকায় বাড়তি সৈন্য পাঠানো শুরু হয়েছিল. ৯ই মে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী সলমন খুরশিদের চিন সফরের প্রাক্কালে দুই পক্ষের মধ্যে মিটমাটের খবর এসেছে.

 মনে করা হয়েছে যে, চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কে কিয়াং এর আগামী ২০শে মে ভারত সফরের সময়ে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিশদে আলোচনা করা হবে.

 পৃথিবী বদলে গিয়েছে, বর্তমানে রাজনৈতিক স্তরে আর্থিক বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে আর প্রকৃত রাজনৈতিক ও আদর্শগত প্রশ্ন যেমন দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা ইত্যাদি সমস্ত প্রশ্নই ব্যবসায়িক স্বার্থের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে.