রাষ্ট্রসঙ্ঘের তদন্তকারীরা সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের দ্বারা নার্ভ-প্যারালিটিক জারিন গ্যাস ব্যবহারের সম্ভাব্য সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছে. এ সম্বন্ধে সিরিয়ায় মানব অধিকার লঙ্ঘন তদন্ত সংক্রান্ত কমিশনের প্রধান কার্লা দেল পোন্তে-র উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সি. তাঁর কথায়, রাষ্ট্রসঙ্ঘের তদন্তকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত, ডাক্তার এবং ফিল্ড হাসপাতালের কর্মীদের সাক্ষ্য নিয়েছে, যারা বর্তমানে সিরিয়ায় রয়েছে. তদন্তকারীদের পূর্ণ সন্দেহ আছে যে, ব্যবহৃত হয়েছিল জারিন গ্যাস. তবে, বিতর্কাতীত প্রমাণ তাদের হাতে এখনও নেই.কমিশনের প্রধান সঠিক করে বলেন নি, কবে এবং কোথায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে. সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং বিরোধীপক্ষ পরস্পরের উপর দোষ দিচ্ছে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের. আগে সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী ওমরান আজ-জৌবি বলেছেন যে, “সিরিয়ায় রাডিক্যাল দলগুলি রাসায়নিক অস্ত্র ইতিমধ্যে ব্যবহার করেছে, অন্যদিকে, সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ এমন অস্ত্র কখনও ব্যবহার করত না, এমনকি তাদের কাছে এমন অস্ত্র থাকলেও”. একই সময়ে, পেন্টাগনের প্রধান চাক হেগেল জানিয়েছেন যে, মার্কিনী গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ার সৈন্যবাহিনী সামান্য মাত্রায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে. হেগেল ব্যাখ্যা করে বলেন যে, সিরিয়ায়, সম্ভবত, ব্যবহৃত হয়েছিল জারিন গ্যাস. এর ঠিক পরেই হোয়াইট হাউজে উল্লেখ করা হয় যে, মার্কিনী গোয়েন্দা বিভাগগুলি সিরিয়ায় সৈন্যবাহিনীর দ্বারা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অনুমিত ঘটনা সম্পর্কে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছে.