উত্তর কোরিয়া দেশে ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রযুক্তির বিকাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়েছে. বর্তমানে তারা জাপানের এলাকায় লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম, আর পরবর্তী কালে হতে পারে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এলাকাতেও সক্ষম হবে. বৃহস্পতিবারে মার্কিন কংগ্রেসের কাছে পেশ করা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ২০১২ সালে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বিকাশের পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে এক রিপোর্টে এই মর্মে বলা হয়েছে. এই কথার প্রমাণ হিসাবে রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ডিসেম্বর মাসে জন গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কোরিয়া থেকে কৃত্রিম উপগ্রহ সহ তেপখোদন-২ রকেট উড়ানের বিষয়.পেন্টাগন ব্যাখ্যা করেছে যে, রকেট পরিবাহক ও তৈরী করা ও দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরী করার জন্য একই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়ে থাকে. এই প্রসঙ্গে উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘণ করে একাধিকবার পারমানবিক পরীক্ষা যে করেছে, তার কথাও বলা হয়েছে, তারা পারমানবিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ করছে ও যে কোনও সময়ে আরও পারমানবিক পরীক্ষা করতে সক্ষম. ব্যালিস্টিক রকেট পরিবাহক ব্যবস্থা ব্যবহার করে পারমানবিক অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রগতি এবং একই সময়ে পারমানবিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে গবেষণা উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে করা লক্ষ্য – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এলাকার উপরে আঘাত হানার ক্ষমতা অর্জন সাধনের জন্যই করা হচ্ছে, বলে লেখা হয়েছে এই রিপোর্টে. এই সমস্ত কিছুই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে পেন্টাগন ঘোষণা করেছে. একই সঙ্গে এই রিপোর্টের যারা লেখক, তারা নিজেদের দৃষ্টিকোণ থেকে বলেছেন যে, নিজেদের রকেট- পারমানবিক প্রযুক্তি বিষয়ে উন্নতি করে ও প্ররোচনা দেওয়ার বিষয়ে কিছু বাধা নিষেধ ব্যবহার করে পিয়ংইয়ং সব সময়েই দেখতে চায় যে, এই বিষয়ে চিন ও রাশিয়া কি ভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে থাকে.