মার্কিন রাষ্ট্রপতি এই কথা এক সাংবাদিক সম্মেলনে মঙ্গলবারে বলেছেন. কিন্তু তারই কথামতো, কারা, কোথায় ও কখন এই অস্ত্র ব্যবহার করেছে, সেই কথা জানা নেই. ওবামা বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত না এই তথ্য সম্পূর্ণ ভাবে জানা যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নেওয়া যে কোন ধরনের পদক্ষেপ এমনকি সিরিয়ার বিরোধী পক্ষের থেকেও তরোয়ালের ডগায় চেপে ধরা হতে পারে. তিনি তারই সঙ্গে জোর দিয়ে বলেছেন দামাস্কাসের পক্ষ থেকে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটলে, তা একটা “বড় মোড় ঘোরার” সামনে পড়বে, যার পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভেবে দেখা হবে, “সিরিয়ার সঙ্কট কি করে সমাধান করা যেতে পারে”.

গত সপ্তাহে পেন্টাগনের প্রধান চাক হেগেল জানিয়েছিলেন যে, আমেরিকার গুপ্তচর বাহিনী মনে করে যে, সিরিয়ার সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্বল্প পরিমানে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে, খুব সম্ভবতঃ জারিন গ্যাস. কিন্তু এর পরেই হোয়াইট হাউস থেকে উল্লেখ করা হয় যে, মার্কিন সিআইএ সংস্থা এই বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে নি.