লাদাখ এলাকায় দৌলত বেগ ওল্ডিতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার হয়ে চিনের সামরিক বাহিনী ঢুকে পড়ার ঘটনাকে ভারত মনে করে একটি স্থানীয় ঘটনা বলে. আরও মনে করে যে, এই ধরনের বিরোধে চিনের বিরুদ্ধে ভারতকে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে হবে না ও আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব হবে. মস্কো শহরে এক আন্তর্প্রশাসনিক সভায় যোগ দিতে এসে এখানকার স্থানীয় "কমেরসা"ন্ত পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে ভারতে চৈনিক সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রদর্শনী করে প্ররোচনা দেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করে পররাষ্ট্র মন্ত্রী সলমন খুরশিদ এই কথা বলেছেন. ভারতে চিনের পক্ষ থেকে সেনা বাহিনী, গুপ্তচর, হেলিকপ্টার ইত্যাদি অনুপ্রবেশের ঘটনা আকছারই ঘটছে. পাকিস্তান ও চিনের পক্ষ থেকে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে. ভারতের প্রশাসন এই ক্ষেত্রে দেশের ভিতরে প্রচুর বিক্ষোভ থাকা স্বত্ত্বেও বিশ্ব শান্তি ও অন্যান্য মূল্যবান দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার কথা মাথায় রেখে প্রতিক্রিয়া হিসাবে আলোচনার টেবিলকেই বেছে নিয়েছে. যদিও এই লাদাখ সমস্যাতেও চিনা সীমান্ত বাহিনীর জেনারেলদের সঙ্গে পরপর দুটি পতাকা সম্মেলন কোনও ফল দেয় নি.

 চিন ও রাশিয়ার সামরিক বাহিনী স্থানীয় পর্যায়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিজেরা নেয় না, দেশের নেতৃত্বের কাছ থেকে নির্দেশের অপেক্ষা করে. তাই ভারতের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছে যে, চিনের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ভারতের সঙ্গে পেশী শক্তি শক্তি প্রদর্শণ, আস্ফালন ও শত্রুতা বৃদ্ধি করে দেশের ভিতরে রাজনৈতিক ফায়দা তোলবার চেষ্টা করে অযথা দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় কিছু চিনা সৈনিকের জীবন দিয়ে অপরের এলাকায় অনুপ্রবেশের মূল্য দিতে বাধ্য করবেন না.