জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে মস্কো শহরে সোমবার ২৮ থেকে ৩০শে এপ্রিল রাশিয়াতে সফররত জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিঞ্জো আবে ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আলোচনায় বসছেন. বিগত দশ বছরের মধ্যে এটি জাপানের শীর্ষ পর্যায়ে প্রথম রাশিয়া সফর.

 নেতারা অর্থনৈতিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে কোরিয়া উপদ্বীপ এলাকায় পারমানবিক সমস্যা সংক্রান্ত প্রসারিত ও প্রয়োজনীয় বিষয়ে আলোচনা করবেন. আশা করা হয়েছে যে, এই আলোচনার শেষে একসারি দ্বিপাক্ষিক আন্তর্প্রশাসনিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা পত্র গৃহীত হবে.

 রাশিয়া সফরের প্রাক্কালে আবে আশা প্রকাশ করেছেন যে, তাঁর এই সফরের ফলে রুশ-জাপান সম্পর্কে নতুন উদ্যম সঞ্চারিত হবে ও দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপূঞ্জের অধিকার নিয়ে জাপানের পক্ষ থেকে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে.

 জাপান কুরিল এলাকায় ইতুরুপ, কুনাশির, শিকোতান ও হাবোমাই নামের চারটি দ্বীপ নিজেদের বলে ফেরত চায়, আর রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে চুক্তি অনুযায়ী সোভিয়েত দেশের সার্বভৌমত্ব এই দ্বীপ গুলিকে নিয়ে রাশিয়া রক্ষা করে চলবে.রাশিয়ার পক্ষ থেকে মনে করা হয় যে, এই দ্বীপ গুলির উপরে রাশিয়ার অধিকার নিয়ে বিতর্ক প্রশ্নাতীত. তবুও জাপানের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে এই দ্বীপ গুলির উপরে অধিকারকেই একটি প্রধান শর্ত বলে তুলে ধরা হয়েছে. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে দুই দেশের মধ্যে আজও কোনও শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় নি.