বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্স্থাপনের প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব করবে এশিয়ার দেশগুলি, এ বছরে অর্থনীতির ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধির ফলাফল প্রদর্শন করে, বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্টে. দলিলে বলা হয়েছে, “এক বছরের দুর্বল অর্থনৈতিক সূচকের পরে অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি দ্রুততর করায় যথেষ্ট মাত্রায় সাহায্য করে স্থিতিশীল আভ্যন্তরীন চাহিদা বজায় রাখা. অঞ্চলের একসারি দেশে বেকারীর সর্বনিম্ন মানের পটভূমিতে শ্রমের বাজারে অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে পরিভোগ ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগ”. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশ্লেষকরা তাছাড়া উল্লেখ করেছেন চীনের তরফ থেকে চাহিদা বৃদ্ধির এবং জাপান সরকারের তরফ থেকে উত্সাহ দানের ব্যবস্থার গুরুত্বের কথা. তহবিলের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “উন্মুক্ত অর্থনীতির সবচেয়ে অগ্রণী দেশগুলির কয়েকটির জন্য চীন ও জাপানের তরফ থেকে চাহিদার বৃদ্ধি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের তরফ থেকে চাহিদা বৃদ্ধির মতোই গুরুত্বপূর্ণ”. একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশেষজ্ঞরা এশীয় দেশগুলির ভবিষ্যত্ অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য ঝুঁকির বিদ্যমানতার বিষয়ও উল্লেখ করেছেন. এসব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অসাম্য, চীনের অর্থনীতি বিকাশের গতি মন্থর হওয়ার সম্ভাবনা, জাপান সরকারের নরম মুদ্রা নীতির দুর্বল প্রভাব, এবং তাছাড়া প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা বিশ্ব-রাজনৈতিক উত্তেজনা উপলক্ষে বাণিজ্যে ওঠা-নামা.