বাংলাদেশের পুলিশ রবারের গুলি এবং কাঁদুনে গ্যাস ব্যবহার করেছে, ভবন ধ্বসে পড়ার পরে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দেওয়া মিছিলকারীদের সংযত রাখার জন্য. এ ভবন ধ্বসে যাওয়ার ফলে প্রায় ২৮০ জন নিহত হয়েছে. স্থানীয় প্রচার মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার রাস্তার মিছিলে যোগ দিয়েছে সাভার পোষাক সেলাই কারখানার এক হাজারেরও বেশি কর্মী.তারা বিপর্যয়ের জন্য দোষ দিচ্ছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে এবং আন্তর্জাতিক কর্পোরেশনকে. প্রতিবাদকারীদের মতে, মুনাফা লাভের লোভে তারা শ্রম-নিরাপত্তা মানের দাবি উপেক্ষা করছে. সাভার শহরে রানা প্লাজা, যাতে ছিল কয়েকটি পোষাক সেলাই কারখানা, ব্যাঙ্ক এবং বহুসংখ্যক দোকান, বুধবার সকালে ধ্বসে পড়ে. জানানো হয়েছিল যে, মঙ্গলবারই তার দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছিল এবং তার পরে কারখানা ও ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল. কিন্তু দোকান ও কারখানার মালিকেরা কর্তৃপক্ষের হুঁশিয়ারী উপেক্ষা করে, এবং কর্মীদের একাংশকে কাজের জায়গায় ফিরিয়ে আনে.