নিজেদের পুরনো আগ্রাসী রাজনীতি বাস্তব মূল্যায়ণ করার পরেই জাপান তাদের প্রতিবেশী দেশ গুলির সঙ্গে মিত্র সুলভ সম্পর্ক তৈরী করতে পারবে বলে সোমবারে চিনের পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি মুখপাত্র হুয়া চুনিন ঘোষণা করেছেন. এই ঘোষণা হয়েছে বিগত ছুটির দিন গুলিতে জাপানের মন্ত্রীসভার সদস্যদের পক্ষ থেকে ইয়াসুকুনি মন্দির দর্শনে যাওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসাবে.

হুয়া চুনিন ঘোষণা করেছেন যে, ইয়াসুকুনি মন্দির দর্শন করা দিয়েই প্রশ্নের উদয় হয় যে, জাপান ঠিক করে তাদের সামরিক আগ্রাসনের বাস্তবকে মূল্যায়ণ করতে পারে কি না ও এশিয়ার দেশ গুলির মানুষদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাখে কি না, তাদের মধ্যে চিনও রয়েছে. তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ে জাপানী সেনা বাহিনীর করা নৃশংসতার অবিসম্বাদিত সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে.

ইয়াসুকুনি মন্দির, যেখানে ইতিহাসে জাপানের জন্য যুদ্ধ করা সমস্ত সৈনিকের স্মৃতি তালিকা রয়েছে, তাকে এশিয়ার অনেক দেশেই মনে করা হয়ে থাকে জাপানের সামরিক সাম্রাজ্য বিস্তারের প্রতীক বলেই. জাপানের এই জনপ্রিয় মন্দির দেশের বাইরে কুখ্যাত, কারণ এই তালিকাতে সেই সব সামরিক অপরাধীদের নামও রয়েছে, যাদের টোকিও বিচারের পরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল.