পাকিস্তানের আদালত বৃহস্পতিবার দেশের প্রাক্তন সামরিক নেতা পারভেজ মুশরফ-কে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা জারি করেছে তিনটি মামলার একটির জন্য, যা ১৯৯৯- ২০০৮ সালে তাঁর শাসন কালের সাথে সম্পর্কিত, জানিয়েছে “এ.এফ.পি” সংবাদ এজেন্সি. আগে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল নিজের দেহরক্ষীদের সাথে একটি জীপ গাড়িতে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন. তাঁর বর্তমান অবস্থান-স্থল এখনও জানা নেই, উল্লেখ করেছে “এ.এফ.পি”. মুশরফ পাকিস্তানে ফিরেছেন ২৪শে মার্চ, ১১ই মে সার্বজনীন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য. তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলিলপত্র জমা দেন, কিন্তু গত মঙ্গলবার আদালত তাঁকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধ করে ২০০৭ সালে সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য. পাকিস্তানের আদালত মুশরফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনাজির ভুট্টোর হত্যায় জড়িত থাকার, ২০০৬ সালে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে এক স্থানীয় নেতার মৃত্যুর এবং ২০০৭ সালে আদালতের বিচারকদের বরখাস্ত করার. আগে কয়েক সপ্তাহ মুশরফ স্বচ্ছন্দে আদালতে আসেন এবং আদালত ত্যাগ করে যান, কারণ তিনটি অভিযোগেই তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছিল. বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদের আদালত তাঁর জামিনে মুক্তি বাতিল করে বিচারকদের বরখাস্ত করার মামলায়. শেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে মুশরফের বাস-ভবন, যেখানে তিনি ব্যারিকেড করে রয়েছেন গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র বাহিনীর সৈনিকরা ঘিরে রেখেছে. এখন মুশরফের বাস-ভবন রক্ষা করছে তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা. প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করার জন্য পাকিস্তানের আদালতের আজকের রায়ের পরে ইসলামাবাদের সম্মানজনক উপকণ্ঠ চক শাহজাদ অঞ্চলে তাঁর বাস-ভবনের রক্ষী সৈনিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে. এখনও জানা নেই, শৃঙ্খলা রক্ষী বাহিনী নিকট ভবিষ্যতে মুশরফের বাস-ভবন আক্রমণ করবে কি না. তবে এই মুহূর্তে স্পষ্ট যে, মুশরফ কর্তৃপক্ষের কাছে সহজে আত্মসমর্পণ করবেন না. মুশরফ-কে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উপলক্ষে পাকিস্তানের রাজধানীতে অবস্থা খুবই তীব্র হয়ে উঠেছে. শহরে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি স্বরাষ্ট্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী. এই মাত্র জানা গেছে যে, পারভেজ মুশরফ তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য ইসলামাবাদের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আরও উচ্চ পর্যায়ে আপীল করতে চান. এ সম্বন্ধে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে “ফ্রান্স প্রেস” সংবাদ এজেন্সি, সর্ব পাকিস্তানী মুসলিম লীগের প্রতিনিধির উদ্ধৃতি দিয়ে, এ পার্টিরই নেতা মুশরফ.