উত্তর কোরিয়া বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিষেধাজ্ঞা বাতিলের দাবি করেছে, যা প্রবর্তিত হয়েছিল তার রকেট ও পারমাণবিক পরীক্ষার পরে. পিয়ংইয়ং তাছাড়া ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এ গ্যারান্টি পেতে চায় যে, সে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে মিলে “পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতিতে” অংশগ্রহণ করবে না, যদি মার্কিনীরা সত্যি সত্যিই উত্তর কোরিয়ার সাথে সংলাপের সুযোগ খোঁজে. উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা কমিটির বিবৃতি উদ্ধৃত করে “রয়টার” সংবাদ এজেন্সি জানিয়েছে, “যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পুত্তলিকা দক্ষিণ কোরিয়ার যদি সামান্য ইচ্ছাও থাকে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের ধ্বংসাত্মক আঘাত এড়ানোর ... এবং সত্যিই সংলাপ ও আলাপ-আলোচনা চায়, তাহলে তাদের দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে”. সর্বপ্রথমে বাতিল করতে হবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের “অন্যায়ভাবে বানানো” সিদ্ধান্ত, বলা হয়েছে “কোরিয়ার কেন্দ্রীয় টেলিগ্রাফ এজেন্সির” মারফত প্রচারিত দলিলে. তাছাড়া, উত্তর কোরিয়ার সামরিক বিভাগ ঘোষণা করেছে যে, কোরিয়া উপদ্বীপের অ-পারমাণবিকীকরণ শুরু হতে পারে শুধু তখনই, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজের পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জা সরিয়ে নিয়ে যাবে, যা পিয়ংইয়ংয়ের স্থিরবিশ্বাস তারা এ অঞ্চলে স্থাপন করেছে.