নিকট প্রাচ্যে, সিরিয়ায় এবং কোরিয়া উপদ্বীপে পরিস্থিতি ইস্তাম্বুলে বুধবার রাশিয়া ও তুরস্কের মাঝে স্ট্র্যাটেজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত যৌথ গ্রুপের তৃতীয় বৈঠকে মনোযোগের কেন্দ্রস্থলে থাকবে. রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ, আর তুরস্কের – পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ দাউতোগলু. এ গ্রুপ কাজ করছে ২০১০ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি এবং তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত রুশ-তুর্কী সহযোগিতা পরিষদের কাঠামোতে. আলাপ-আলোচনার সর্বসম্মত সূচিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হবে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার আরও বিকাশের প্রশ্নের আলোচনা. পক্ষদ্বয় কৃষ্ণসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার কাঠামোতে পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের পরিপ্রেক্ষিত আলোচনা করবেন, জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়. তুরস্কের বাণিজ্যিক শরিকদের মধ্যে রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী. তুরস্কের বৈদেশিক বাণিজ্যিক আবর্তনে তার গুরুত্ব ৯.৩ শতাংশ. অন্যদিকে, রাশিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্যিক শরিকদের মধ্যে তুরস্ক সপ্তম স্থানের অধিকারী, রাশিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্যিক আবর্তনে তার গুরুত্ব ৪.৭ শতাংশ. রাশিয়া ও তুরস্কের বৃহত্তম বিনিয়োগী প্রকল্পের প্রায়োগিক বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে “আক্কুইউ”-তে পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের নির্মাণ. তাতে মোট খরচ হওয়ার কথা প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার. প্রাক্কালে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আলেক্সান্দর লুকাশেভিচ বলেন, “আমরা নির্মাণ-কাজের জন্য তুরস্কের কোম্পানিগুলিকে ব্যাপকভাবে আকর্ষণ করার পরিকল্পনা করছি”.