ভেনেজুয়েলা রাষ্ট্রে সময়ের আগেই হওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন নিকোলাস মাদুরো. হুগো চাভেসের এই উত্তরাধিকারী পেয়েছেন শতকরা ৫০, ৬৬ শতাংশ ভোট. এটা দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য যথেষ্ট. বিরোধী পক্ষের প্রার্থী এনরিকে কাপ্রিলেস এই নির্বাচনের ফল স্বীকার করেন নি ও দাবী করেছেন আবার করে গণনার.

নিকোলাস মাদুরো ফল ঘোষণার অব্যবহিত পরেই দেশের প্রধান চত্বরে এক প্রচুর জন সমাগমে ভর্তি সভায় বক্তৃতা দিয়েছেন, তাঁর সমর্থকরা হর্ষধ্বনি করে স্বাগত জানিয়েছেন ও আকাশে বাজী পোড়ানো হয়েছে.

তাঁর মুখ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এনরিকে কাপ্রিলেস. যিনি ভেনেজুয়েলার গণতান্ত্রিক দল গুলির জোটের পক্ষ থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন, পেয়েছেন শতকরা ৪৯, ০৭ শতাংশ ভোট.

কিন্তু কাপ্রিলেস মনে করেন যে, মাদুরো এই নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন. বিরোধী পক্ষ দাবী করেছে ভোট গুলি আবার গণনার. ভেনেজুয়েলার জাতীয় নির্বাচনী সভার প্রধান ডিয়াস ঘোষণা করেছেন যে, এই প্রস্তাব সমর্থন করেন ও গণনা আবার করা হবে, যদিও তিনি নির্বাচনের ফলের উপরে কোন সন্দেহ প্রকাশ করেন নি.

কিন্তু, বিশেষজ্ঞরা যেরকম উল্লেখ করেছেন যে, বিরোধী পক্ষের জন্য এমনকি ভোট গণনা আবার করে করা হলেও কোন রকমের লাভ হবে না. কারণ, ভেনেজুয়েলাতে বৈদ্যুতিন ভাবে ভোট দেওয়া হয়ে থাকে, এই কথা উল্লেখ করে লাতিন আমেরিকা নামের জার্নালের প্রধান সম্পাদক ভ্লাদিমির ত্রাভকিন বলেছেন:

“নির্বাচনের ফলকে অস্বীকার করার মতো কোন রকমের ভিত্তিই নেই. আমি মনে করিয়ে দিই যে, এক সময়ের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার গত নির্বাচনের সময়ে, যেটিতে চাভেস জিতেছিলেন, সেই সময়ে নিজের মূল্যায়ণ করে বলেছিলেন যে, সারা বিশ্বের মধ্যে ভেনেজুয়েলাতে সবচেয়ে আদর্শ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে. অর্থাত্ মাদুরো যে ভোট পেয়েছেন, তার সব-কটাই আইন সঙ্গত ভাবেই পেয়েছেন. আমরা বিদেশে থাকা ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের দেওয়া ভোটের ফলের জন্য অপেক্ষা করব. এটা কোনও ভাবে এই ব্যবধানের ক্ষেত্রে সংখ্যার তফাত পাল্টাতে পারে, কিন্তু মনে তো হয় না যে, নির্বাচনের ফল পাল্টে দেবে”.

ভোট আবার করে গোনার বিরুদ্ধে মাদুরো কোন বিরোধ করেন নি. “আমরা এটা স্বাগত জানাচ্ছি. আমরা কোনও রকমের শক্তি প্রয়োগ করতে চাই না, আমরা শান্তি চাই”, – ঘোষণা করেছেন ভেনেজুয়েলার নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি.