রসকসমস ২০১৫ সাল থেকে মহাজাগতিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি পাঠানো শুরু করবে চাঁদের ঠিকানায়, তারপরে সেখানে শিবির ও মানমন্দির স্থাপণ করা হবে. শুক্রবার ‘রাশিয়া-২৪’ টেলিচ্যানেল থেকে এই কথা জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান ভ্লাদিমির পপোবকিন.

বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, যে চাঁদের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জল আছে, তা যাচাই করে দেখা দরকার. ২০১৫-২০১৬ সাল থেকে রাশিয়া চাঁদে উড়ান শুরু করবে. তার কথায়, চাঁদকে আয়ত্ব করার ধাপেধাপে কর্মসূচী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সংকলন করা হয়েছে, “ক্রমশঃ ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহ সহ সুদূরপাল্লার উড়ান বাস্তবায়নের বুনিয়াদ গড়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য সামনে রেখে”.

পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহকে আয়ত্ব করার কাজ শুরু হবে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করিয়ে, তার কক্ষপথে মডিউল সৃষ্টি করে. তারপর শুরু হবে চান্দ্রিক শিবির ও সেখানে মানমন্দির স্থাপণের কাজ.