রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মহাকাশচারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তাদের উত্সব উপলক্ষে – মহাকাশযাত্রা বিদ্যা দিবস উপলক্ষে. রাশিয়ায় এ উত্সব পালিত হয় ১২ই এপ্রিল মানুষের প্রথম মহাকাশযাত্রার স্মৃতিতে. ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল এ মহাকাশযাত্রা করেছিলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গাগারিন. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কর্মীদের সাথে পুতিনের ভিডিও-যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল শুক্রবার রাশিয়ার আমুর প্রদেশের “ভস্তোচনি” কসমোড্রোমে. পুতিন বলেন, “স্টেশনের সমস্ত কর্মীকে মহাকাশযাত্রা বিদ্যা দিবস উপলক্ষে. তবে এটা শুধু সাধারণ অভিনন্দন নয়, এ অভিনন্দন জানাচ্ছি আমাদের ভবিষ্যত্, রাশিয়ার সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে কর্মব্যস্ত ভস্তোচনি কসমোড্রোম থেকে”. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি জানান যে, “ভস্তোচনি” থেকে প্রথম উড়ানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে ২০১৫ সালে, আর ২০১৮ সাল নাগাদ – মানবচালিত মহাকাশযানের উড়ান. তিনি এ আশা প্রকাশ করেন যে, রাশিয়ার কসমোড্রোম শুধু স্বদেশী বিশেষজ্ঞরাই ব্যবহার করবেন না, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের বিশেষজ্ঞরাও ব্যবহার করবেন. তবে, সেই সঙ্গে, রাশিয়া কাজাখস্তানের “বাইকোনুর” কসমোড্রোমের ব্যবহার বন্ধ করবে না, উল্লেখ করেন পুতিন. এদিকে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মহাকাশচারীরা সাংবাদিকদের জানান যে, উত্সব পালিত হবে “খুবই আপেক্ষিকভাবে”. স্টেশনের ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার পাভেল ভিনোগ্রাদোভ “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে বলেন, “কাজের জায়গায় আমাদের যথেষ্ট ব্যস্ত থাকতে হবে”. মহাকাশচারীদের সাথে ভিডিও-যোগাযোগ হয়েছিল, যখন তাঁরা অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার উপর দিয়ে উড়ছিলেন. উপর থেকে পৃথিবী দেখতে কেমন, সে কথায় এসে ভিনোগ্রাদোভ স্বীকার করেন: “এটা, মনে হয়, সবচেয়ে সম্মোহনকারী দৃশ্য, যা দেখা সম্ভব. তার দিকে তাকিয়ে থাকা যায় ঘন্টার পর ঘন্টা অথবা দিনের পর দিন”.