বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কোরিয়া পরিস্থিতির যথেষ্ট কোনো পরিবর্তন নথিভুক্ত করতে পারে নি, যা অতি আসন্ন সময়ে রকেট ক্ষেপণে পিয়ংইয়ংয়ের প্রস্তুতির প্রমাণ দিতে পারে. এ সম্বন্ধে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচার মাধ্যম সরকারী প্রতিনিধিদের উদ্ধৃতি দিয়ে. বিশেষ করে, উল্লেখ করা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে বসানো মোবাইল রকেট সরঞ্জামের স্থান পরিবর্তনের. তাদের মতে, তা বুধবার দেখা দেওয়া এ খবর খণ্ডন করে যে, রকেটে ইতিমধ্যে জ্বালানী ভরা হয়েছে, কারণ জ্বালানী ভরা অবস্থায় রকেটের স্থান পরিবর্তন নিষিদ্ধ এবং তা বিপজ্জনক. একই সঙ্গে তাঁরা উল্লেখ করেন যে, রকেটে জ্বালানী ভরা যেতে পারে ৩০ মিনিটের মধ্যে. তাঁদের মতে, আরও একটি প্রমাণ হল এই যে, পিয়ংইয়ংয়ে বিদেশী অতিথিদের অভ্যর্থনা করা শুরু হয়েছে, যাঁরা ১৫ই এপ্রিল উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইর সেনের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আসছেন. প্রচার মাধ্যম উল্লেখ করছে যে, উত্তর কোরিয়ার উপকূলবর্তী অঞ্চলে রকেট ক্ষেপণ সরঞ্জামের ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন তার প্রতি নিখুঁতভাবে লক্ষ্য রাখার দাবি করে. আগে জানানো হয়েছিল যে, উত্তর কোরিয়া মাঝারী পাল্লার মুসুদান রকেট ক্ষেপণের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত, এ ক্ষেপণ যেকোনো সময়ে হতে পারে. সেওলের মতে, রকেট পরীক্ষার দ্বারা পিয়ংইয়ং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যক্ষভাবে দেখাতে চায় যে, গুয়াম দ্বীপে মার্কিনী সামরিক ঘাঁটি তার অস্ত্রের পাল্লার আওতায় রয়েছে, যার কথা আগে বলা হয়েছিল.