রাশিয়ার বৈজ্ঞানিক- উত্পাদন জোট ইঝমাশ চারটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের গুলি চালানোর ব্যবস্থা তৈরী করতে শুরু করেছে. নতুন পিস্তল, গ্রেনেড লঞ্চার, রাইফেল ও মেশিনগানের মধ্যে কার্তুজের বিষয়ে তফাত থাকবে. তা তৈরী করার সময়ে ইঞ্জিনিয়াররা নতুন ব্যালিস্টিক সমাধান ব্যবহার করেছেন. তাছাড়া. নতুন ধরনের আকারের অস্ত্রের কথাও ভাবা হচ্ছে.

এখানে বাদ দেওয়া যেতে পারে না যে, নতুন ব্যবস্থা তৈরী করার ক্ষেত্রে বুলপাপ নামের কাঠামো ব্যবহার করা হতে পারে, এটাতে আঘাত করার মেকানিজম ও কার্তুজের ম্যাগাজিন, ট্রিগারের পেছনে থাকে. এটার জন্য বন্দুকের নলকে বেশী লম্বা করা যেতে পারে ও একই সঙ্গে গুলি করার দূরত্ব ও নিখুঁত হওয়া আরও বেশী করে করা যেতে পারে. তাছাড়া এই ধরনের বন্দুক বাম হাতে যাদের সুবিধা তাদের জন্যও ব্যবস্থা করা থাকবে ও আরও ছোট হবে আকারে.

অস্ত্রের আকার ছোট হওয়া এই কারণেই আরও দরকার যে, শহুরে এলাকায় তা যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত হতে পারে. তা সন্ত্রাস বিরোধী বাহিনীদের খুবই পছন্দ. এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় বন্দুকের একটানা গুলি করার সময়ে রি কয়েল কম. রাশিয়াতে বুলপাপ কাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে দুই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র তৈরী করার জন্য. এটা অটোম্যাটিক রাইফেল গ্রজা ও এসভেউ রাইফেলের ক্ষেত্রে. এই কথা উল্লেখ করে রাশিয়ার অস্ত্র ইতিহাসে বিশেষজ্ঞ ম্যাক্সিম পপেনকের বলেছেন:

“দুটি ধরনই – এটা বর্তমানের বুলপাপ ব্যবস্থারই একটা সংশোধিত রূপ, ছোট কালাশনিকভ রাইফেল ও দ্রাগুনভের তৈরী স্নাইপারের রাইফেল. বিশ্বে বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে, যেখানে সামরিক বাহিনীতে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়. এই গুলি গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বিগত কিছু বছরে চিন. সুতরাং বিশ্বে বুলপাপ ব্যবস্থা সমেত যথেষ্ট আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে. কিন্তু মনে রাখতে হবে নতুন অস্ত্র তৈরী করতে হবে একেবারে শূণ্য থেকে”.

আর গোলা, গুলি, কার্তুজ সম্বন্ধে যা বলা যেতে পারে, তা হল যে নতুন গুলি হবে এক জায়গায় এক সাথে অনেক লক্ষ্যভেদ করার ক্ষমতা সম্পন্ন ও তার ভেদ করার ক্ষমতাও হতে হবে বেশী. এটা সামরিক বাহিনীর লোকদের খুবই চলতে পারে. কিন্তু পুলিশের জন্য বিশেষজ্ঞদের মতে দরকার এমন অস্ত্র, যা খুবই শক্তিশালী ভাবে থামিয়ে দেওয়ার কাজ করতে পারে. “ইঝমাশ” কারখানা থেকে বিশ্বের ২৭টি দেশে নিজেদের তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র পাঠানো হয়, সেখানে আশা করা হয়েছে যে, নির্মাতাদের নতুন সব কাজ রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নতুন করে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়ার পরিকল্পনাতে ২০২০ সালের আগেই ঢুকবে.