ইউনিভার্সিয়াড ক্রীড়া-২০১৩তে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানরা কাজান শহরে এসে পৌঁছেছেন. তাদের সাক্ষাত্কারের পরে কোন সব সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, সে সম্পর্কে জানাচ্ছেন তাতারস্তানে আমাদের সংবাদদাত্রী ইয়ুলদুজ ক্রেপস্তিনা.

ইউনিভার্সিয়াডের আয়োজক শহরে অংশগ্রহণকারী দেশগুলির প্রতিনিধিদলের প্রধানদের সাক্ষাত্কার আন্তর্জাতিক ছাত্রক্রীড়ার একটা ঐতিহ্য. সেখানে ক্রীড়াবিদরা কিরকম পরিবেশে থাকাখাওয়া করবে, তা প্রদর্শন করবেন সংগঠকরা. ভলান্টিয়ারদের সাথে কাজ করার দপ্তরের কর্মী আলবিনা মাকায়েভা বলছেন, যে চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধিদের কাজের ব্যাপক কর্মসূচি রয়েছে.-

অতিথিরা ক্রীড়াক্ষেত্রগুলি এবং ইউনিভার্সিয়াড ভিলেজ পরিদর্শন করবেন. তারা পরিষেবার মানও যাচাই করে দেখবেনঃ থাকা, খাওয়া, পরিবহন ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার.

ইউনিভার্সিয়াড ক্রীড়া শুরু হতে আর মাত্র তিনমাসের সামান্য বেশি সময় বাকি আছে. আয়োজকদের কথায়, সব বিভাগের কাজের সমন্বয় সাধনের কাজ পরখ করে দেখা হয়ে গেছে. সমর্থকদের ব্যাপারেও বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে. এই প্রসঙ্গে বলছেন কাজানের নগরপাল ইলসুর মেতশিন.-

সমর্থকদের গ্যালারীতে পৌঁছানোর ব্যবস্থার বিষয়ে আমরা গুরুতর সব আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অধ্যয়ন করেছি. কোনোরকম ‘নরকের সাত পাক’ হবে না. একসঙ্গে ঝাঁকেঝাঁকে দর্শক ঢুকতে পারবে এবং এইক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে প্রগতিশীল আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ব্যবহার করবো.

আন্তর্জাতিক ছাত্রক্রীড়া ফেডারেশনের কর্তাব্যক্তিরাও এই সপ্তাহে কাজানে আসবেন. ইউনিভার্সিয়াডে যোগদানকারী ক্রীড়াবিদদের ভিসা ছাড়াই এই দেশে প্রবেশের বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করবেন তাতারস্তানের কর্তৃপক্ষের সাথে. সম্প্রতি তার কাজান সফরকালে ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য সমস্ত বড়মাপের আন্তর্জাতির ক্রীড়া প্রতিযোগিতাতেই এই ব্যবস্থা প্রয়োগ করার প্রস্তাব দিয়েছেন.