“জীবনের জন্য জৈব রসায়ন” – ইউনেস্কো ও বিশ্বের এক নেতৃস্থানীয় রাসায়নিক সার প্রস্তুতকারক সংস্থা রাশিয়ার “ফস-অ্যাগ্রোর” যৌথ উদ্যোগে নতুন প্রকল্প এই নামেই প্রকাশ করা হয়েছে. বিভিন্ন দেশের যুব বিজ্ঞানীদের বৈজ্ঞানিক ও আর্থিক সহায়তা করবে এই প্রকল্প.

বিশ্বের ইতিহাসে এই প্রথম ইউনেস্কো সংস্থার এত বিশাল প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার কোম্পানী আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে. সম্পূর্ণ অর্থ বরাদ্দের পরিমান – প্রায় পনেরো লক্ষ ডলার. এই অর্থ পেতে চলেছেন সম্ভাবনাময় রসায়নবিদরা, যাঁরা পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি তৈরীর কাজে নিরত রয়েছেন, স্বাস্থ্য সংরক্ষণ, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারও যারা তৈরী করতে চান.

“ফস-অ্যাগ্রো” কোম্পানীর জেনারেল ডিরেক্টর ম্যাক্সিম ভোলকভ বলেছেন:

“এটা যুবক বিজ্ঞানীদের উত্সাহ দেওয়া জন্য, যাঁরা হতে পারে এখনও স্বীকারোক্তি পান নি ও কোন উচ্চতাও এখনও উত্তীর্ণ হতে পারেন নি. আমরা সারা বিশ্বের সমস্ত অল্প বয়সী প্রতিভাধর দের প্রতিই লক্ষ্য রাখব. আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল – প্রযুক্তি সন্ধান করা, যা আমাদের বিশ্বকে আরও ভাল করবে. এটা যে কোন রকমের গবেষণা, যা আমাদের পরিবেশকে আরও ভাল করতে সাহায্য করে, যেমন আবর্জনার মোকাবিলা ও তার সদ্ব্যবহার”.

0এখন খুবই সফল মনে করা হচ্ছে যত বেশী সম্ভব ক্ষমতাশালী মানুষকে সংজ্ঞাবহ ও জটিল কাজ একত্রে সমাধানের জন্য নিয়োজিত করা যায়. ইউনেস্কো ও “ফস-অ্যাগ্রো” কোম্পানীর যৌথ প্রকল্প বাস্তবে এই ধারণার উপরেই নির্ভর করে করা. জীবনের জন্য জৈব রসায়ন প্রকল্প আমাদেরই গ্রহের ভবিষ্যতের জন্য এক নিজের মত করে বিনিয়োগ করাই হবে. তা আমাদের সাহায্য করবে নতুন জ্ঞানের রূপ দিতে, যা পরিবেশের উপরে মানুষের কাজের প্রভাব কমানোর জন্যই করার লক্ষ্য নিয়ে করা. ইউনেস্কো ও “ফস-অ্যাগ্রো” কোম্পানীর কাজ আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক ও ফলিত রসায়ন জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগেই করা হতে চলেছে. বিজয়ী নির্ণয় করবেন বিশেষ জুরী বোর্ড, যেখানে থাকবেন বিশ্বজোড়া খ্যাতি সমেত বিজ্ঞানীরা.