২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে সিরিয়াতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের তরফ থেকে খাদ্য সাহায্যের কনভয় ও কেন্দ্র গুলি কম করে হলেও কুড়ি বার পরিচয় না জানা দুর্বৃত্তদের আক্রমণের শিকার হয়েছে. এই নিয়ে জেনেভা শহরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিনিধি এলিজাবেথ বির্স সাংবাদিকদের খবর জানিয়েছেন. তাঁর কথামতো, এই সব আক্রমণে অবশ্য কেউ হতাহত হন নি. কিন্তু এই ধরনের আক্রমণ প্রমাণ করে দেয় যে, হিংসা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে সেই সমস্ত মানুষদের সাহায্য করা, যারা এই সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছেন, তা হয়ে দাঁড়ায় প্রতিনিয়তই কঠিন থেকে কঠিনতর, বলেছেন বির্স.

বিশ্ব খাদ্য প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী সিরিয়াতে ২৫ লক্ষ মানুষ ও আরও ১০ লক্ষ উদ্বাস্তু সাহায্যের প্রয়োজন বোধ করছেন. প্রত্যেক সপ্তাহে এঁদের খাদ্য সাহায্য করার জন্য প্রকল্প থেকে ১৯ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়ে থাকে. বেশীর ভাগ খাদ্য পাঠানো হয় সিরিয়াতে তুরস্ক থেকে আর তুরস্কের ভাড়াটে সৈন্যরাই সিরিয়ার ফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে. তাই কেন খাদ্য সরবরাহের সময়ে আক্রমণ হয়, খাদ্য লুঠ হয় অথচ কেউই হতাহত হয় না, তা সম্বন্ধে একটা ধারণা বোধহয় করা যেতে পারে, অর্থও তুরস্ক পায় ও খাদ্যও তাদের কাছেই থেকে যায়. সপ্তাহে ১৯ মিলিয়নের অধিকাংশ এই ভাবে রোজগার হতে থাকলে সিরিয়াতে যুদ্ধ শেষ করার জন্য তুরস্কের পক্ষ থেকে উত্সাহের কোনও কারণ তো আপাতঃ দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে না.