উত্তর মেরু থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে হিমশৈলের উপরে ভাসমান এই গবেষণা কেন্দ্রের দরজা এই বছরের জন্য খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ ভৌগোলিক সঙ্ঘ থেকে.প্রত্যেক বছরই এপ্রিল মাসের শুরুতে এই ঘাঁটি খোলা হয়ে থাকে ও সুমেরুতে সারা মাস ধরেই এটা প্রধান বৈজ্ঞানিক ও পর্যটন কেন্দ্র হয়. মার্চ মাসের শেষের দিকে তিন কিলোমিটার প্রস্থ ও চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই ভাসমান বরফ খণ্ড নজর করতে পেরে তার উপরে প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, জ্বালানী ও যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়া হয়েছে. ১লা এপ্রিল বার্ণেও ঘাঁটির উপরে রাশিয়ার ও রুশ ভৌগোলিক সঙ্ঘের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে. এখন এই ঘাঁটিতে কাজ করছেন ৫৬ জন. বিজ্ঞানীদের আসার অপেক্ষা করা হচ্ছে, তাঁরা আসছেন তেসরা থেকে চৌঠা এপ্রিল. ঐতিহ্য মেনেই এখানে পর্যটকরাও আসতে পারেন. আশা করা হয়েছে যে, এই বছরে এখানে দুশো জনেরও বেশী অতিথি আসবেন.