“যেহেতু রাশিয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি শুধু আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার পরিপ্রেক্ষিতেই করা সম্ভব, তাই আমাদের দেশের জন্য সামগ্রিক ভাবে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা একই সময়ে এক বিশ্ব ক্রীড়নক এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হিসাবে দায়িত্ব হয়েছে আর নিজেদেরই স্বার্থের জন্য প্রধান প্রশ্ন হয়েছে”. এই বিষয়ে বলা হয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান সের্গেই লাভরভের প্রবন্ধে, যা আন্তর্জাতিক জীবন নামের জার্নালের মার্চ মাসের সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে. তাতে মন্ত্রী রাশিয়ার নবীকরণ হওয়া বিদেশ নীতির প্রধান অনুচ্ছেদ গুলি ব্যাখ্যা করেছেন, যা ফেব্রুয়ারী মাসে রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন পেশ করেছেন. লাভরভের কথামতো, “এই দলিলে কোন রকমের আলাদা হয়ে যাওয়ার কোনও ইঙ্গিতও নেই. বরং উল্টো, রাশিয়া সকলের জন্য সামগ্রিক সমস্ত বর্তমান সমস্যার উত্তর খোঁজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের যৌথভাবে কাজের আয়োজনের স্বপক্ষে শক্তি সক্রিয়ভাবে প্রয়োগের জন্যই উদ্যোগী হয়েছে. ২০১৩ – ২০১৫ সালে বৃহত্ কুড়ি, বৃহত্ আট, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, ব্রিকস, ইত্যাদি গোষ্ঠীতে সভাপতিত্ব করে আমাদের দেশ খুবই শক্তি চালিত ধারা অবলম্বন করেছে যাতে বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ মজবুত হওয়ার জন্য এই বহু পাক্ষিক কাঠামো গুলির ফলপ্রসূতা বৃদ্ধি পায়. এটা – রাশিয়ার বহু দিকে গতিপথ সম্পন্ন পররাষ্ট্র নীতির একটি বাস্তব প্রকাশ” – লাভরভ বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন.