“সোয়ুজ তে.এম.আ-০৮এম” মহাকাশযানের কর্মীরা শুক্রবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সাথে যুক্ত হওয়ার প্রায় দু ঘন্টা পরে স্টেশনে ঢোকার হ্যাচওয়ে খোলে. রাশিয়ার “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সি মহাকাশযাত্রা পরিচালনা কেন্দ্রের প্রতিনিধির উক্তি উদ্ধৃত করেছে, “হ্যাচওয়ে খোলা হয়েছে. “সোয়ুজের” কর্মীরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রবেশ করেছেন”. এই সোয়ুজ মহাকাশযানে স্টেশনে পৌঁছেছে পরবর্তী ৩৫/৩৬ তম কর্মীদল, যাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার মহাকাশচারী পাভেল ভিনোগ্রাদোভ, আলেক্সান্দর মিসুরকিন এবং নাসা-র অ্যাস্ট্রোনট ক্রিস্টোফার কেসিডি. আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান রাশিয়ার রোমান রমানেনকো, কানাডার ক্রিস হ্যাডফিল্ড এবং মার্কিনী অ্যাস্ট্রোনট টমাস মাশবার্ন. স্টেশনের সাথে মহাকাশযানের সংযোগ সাধন দেখার জন্য এবং এই কর্মীদের সাথে কথাবার্তা বলার জন্য মহাকাশযাত্রা পরিচালনা কেন্দ্রে এসেছেন মহাকাশচারী ও অ্যাস্ট্রোনটদের আত্মীয়-স্বজনরা. এই মহাকাশযাত্রার সময় স্টেশনের ৩৫/৩৬ তম কর্মীদলকে রাশিয়ার, ইউরোপীয় ও মার্কিনী মালবাহী মহাকাশযান নিয়ে কাজ করতে হবে. তাদের চারবার খোলা মহাকাশে বের হতে হবে স্টেশনের রাশিয়ার অংশের কর্মসূচি অনুযায়ী, স্টেশন থেকে “সোয়ুজ তে.এম.আ-০৭এম” মহাকাশযান-কে রওনা করা এবং আরও অন্যান্য কাজ করতে হবে. স্টেশনের বৈজ্ঞানিক কর্মসূচির কাঠামোতে মহাকাশচারীদের বিভিন্ন জটিলতার ৪২টি পরীক্ষা চালাতে হবে. বিশেষ করে “লাইটনিং-গামা” পরীক্ষা মানবজাতিকে ভবিষ্যতে ভূমিকম্প ও অন্যান্য বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করবে. অন্য একটি চিত্তাকর্ষক পরীক্ষা “পরিস্থিতি” ডিজাইনারদের গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য যোগাবে, যা চন্দ্র, মঙ্গলগ্রহ অথবা শুক্রগ্রহে যাত্রার জন্য বড় বড় মহাকাশযান ডিজাইন করার সময় ব্যবহৃত হবে.