চীনা গণ-প্রজাতন্ত্রের সভাপতি সি জিনপিন বেজিং ও দিল্লি-কে আহ্বান জানিয়েছেন চীন-ভারত সহযোগিতা এমনভাবে বিকাশ করতে, যাতে দু দেশের মাঝে সম্পর্ক নতুন আরও উচ্চ মানে উন্নীত হয়. এ সম্বন্ধে চীন রাষ্ট্রের নতুন নেতা সাংবাদিকদের বলেছেন চীনের সভাপতি হিসেবে প্রথম বিদেশ যাত্রার আগে. তিনি পরিকাঠামো, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা মজবুত করার আহ্বান জানান. চীনের সভাপতি তাছাড়া দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিকাশ করার এবং দু দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সমঝোতা ও মৈত্রী গড়ে তোলার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন. তিনি পক্ষদ্বয়কে আহ্বান জানান “পরস্পরের মুখ্য সব দুশ্চিন্তা বিবেচনায় রাখার এবং দু দেশের মাঝে বিদ্যমান সব প্রশ্ন ও মতভেদ যুক্তিসঙ্গতভাবে মীমাংসা করার”. ভারতের “প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া” সংবাদ এজেন্সির প্রশ্নের উত্তরে সি জিনপিন উল্লেখ করেন যে, চীন ও ভারতের মাঝে বর্তমান সম্পর্ক জটিল রয়েছে বিদ্যমান সীমান্ত প্রশ্নের জন্য. তার মীমাংসা অতি অসহজ কর্তব্য, এজন্য চীন ও ভারতের মিলিতভাবে সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্বস্তি সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন. তাছাড়া, চীনের সভাপতি দিল্লি-কে আহ্বান জানান চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাধারণ বিকাশের উপর উক্ত সমস্যার প্রভাব বিস্তার ঘটতে না দেওয়ার. সি জিনপিন আরও বলেন যে, উভয় পক্ষের মিলিতভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলির ন্যায়সঙ্গত স্বার্থ রক্ষা করা উচিত এবং মিলিতভাবে বিশ্বব্যাপী সমস্যাবলি অতিক্রম করা উচিত্. নিজের বিদেশ সফরের সময় সি জিনপিন যাবেন রাশিয়ায়, এবং তাছাড়া অংশগ্রহণ করবেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে ব্রিকস দেশগুলির পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলনে. ভারতের প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমনমোহন সিংও এ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন, এবং তার কাঠামোতে সি জিনপিন এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে আলাপ-আলোচনা করবেন.