ইউরোপীয় সঙ্ঘ স্থির করবে এই বিষয়ে, ন্যাটো জোটের এই বিষয়ে কোন সম্বন্ধ নেই বলে ব্রাসেলস শহরে ঘোষণা করেছেন ন্যাটোর সচিব আন্দ্রেস ফগ রাসমুসেন. তাঁর কথামতো, সিরিয়ার পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ন্যাটো জোট একটি কাজই মাত্র করছে, তা হল তুরস্কে নাগরিকদের প্রতিরক্ষার জন্য সিরিয়ার সঙ্গে সীমান্তে প্যাট্রিয়ট মিসাইল বসানোর. তিনি সিরিয়াতে যোদ্ধা পাঠানোর কোনও প্রয়োজন দেখতে পাচ্ছেন না ও আবারও জানিয়েছেন যে, ন্যাটো জোট সিরিয়ার বিরোধে অংশ নিতে চায় না.

ইউরোপীয় সঙ্ঘের ও ন্যাটো জোটের সদস্য দেশ গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স অনেক কূটনৈতিক শক্তি প্রয়োগ কছে, যাতে সিরিয়াতে অস্ত্র সরবরাহ করা নিয়ে ইউরোপীয় সঙ্ঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়, যাতে তারা সিরিয়ার বিরোধীদের সশস্ত্র করার জন্য আইন সঙ্গত অধিকার পায়. মনে করা হয়েছে যে, ডাবলিনে ২২- ২৩ মার্চ ইউরোপীয় সঙ্ঘের পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাত্কারের সময়ে এই প্রসঙ্গে আলোচনা করা হবে.