‘আরব্য বসন্ত’ নিকট প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলিতে বয়ে এনেছে অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক জটিলতা, পরিচালনার সংকট এবং উগ্রপন্থা ও আমেরিকাবিরোধী আচরনের দাবানল লাগিয়েছে. আধুনিককালের বিপদ সম্পর্কে আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগের বার্ষিক রিপোর্টে জাতীয় গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান জেমস ক্ল্যাপার এই কথা বলেছেন.

“কয়েকটি দেশ গণতন্ত্রের অভিমুখে পদক্ষেপ নিলেও, অধিকাংশ দেশই নিমজ্জিত অস্থিতিশীলতায়, প্রায় অরাজকতায় ও হিংসার ঢেউয়ে. শীর্ষসারির শাসকদের দুর্বলতা জাতি ও ধর্মগত সংঘাতের জন্ম দিয়েছে, ইসলামীরাই হয়ে দাঁড়িয়েছে অবাধ নির্বাচনে মূল অংশগ্রহণকারী. ইসলামী পার্টিগুলি মিশরে, টিউনিশিয়ায়, মরক্কোয় তাদের অবস্থান আরো মজবুত করেছে”, - বলা হয়েছে রিপোর্টে.

ঐ দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে, যে এমনকি যে সব দেশে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে শাসকরা অপসৃত হয়েছে, তারাও গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে সমাজে সংহতি আনার ক্ষেত্রে, আর আলাদা আলাদা সামাজিক গোষ্ঠীগুলি নৈতিক পতনের ফলে নীচের মহলে আশ্রয় নিয়েছে. রিপোর্টে লক্ষ্য করা হয়েছে ঐ সব এলাকায় ক্রমবর্ধমান আমেরিকাবিরোধী মনোভাব. “এর দরুন এই সব দেশের সাথে যৌথভাবে সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপ চালানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে”.