ফকল্যাণ্ড দ্বীপপুঞ্জের অধিবাসীরা গণভোটে প্রকৃতপক্ষে একবাক্যে ভোট দিয়েছে বৃটিশ নাগরিক থাকার পক্ষে. সরকারী তথ্য অনুযায়ী, এর পক্ষে ভোট দিয়েছে ৯৯.৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী, মঙ্গলবার জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ এজেন্সি. নির্বাচকরা চায়, দ্বীপপুঞ্জ যেন গ্রেট-বৃটেনের সাগর-পারের ভূভাগ হিসেবেই তাকে. ভোটদানে অংশগ্রহণ করেছে প্রায় দেড় হাজার বাসিন্দা – প্রায় ৯২ শতাংশ নির্বাচক. শুধু তিনজন লন্ডনকে “না” বলেছে, উল্লেখ করা হয়েছে খবরে. ১০ জন বিদেশী পর্যবেক্ষকের একটি দল ভোটদানের প্রতি নজর রাখে এবং তারা কোনো নিয়ম লঙ্ঘন প্রকট করে নি. নিজের তরফ থেকে গ্রেট-বৃটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ গণভোটের ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক জনসমাজের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন. গণভোট অনুষ্ঠিত হয় দু দিন ধরে ১০ই এবং ১১ই মার্চ. গ্রেট-বৃটেনের সত্ত্বাধিকারে থাকা এ দ্বীপপুঞ্জের জন্য দাবি জানিয়েছে আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষ, যাঁরা এ দ্বীপপুঞ্জকে মালভিন দ্বীপপুঞ্জ বলে অভিহিত করে থাকে. আগে গ্রেট-বৃটেনে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত আলিসিয়া কাস্ত্রো বলেন যে, ফকল্যাণ্ড দ্বীপপুঞ্জের ভাগ্য সম্বন্ধে গণভোট – এ হল বিজ্ঞাপনের ব্যাপার, এর কোনো বিধানিক ভিত্তি নেই. ফকল্যাণ্ড দ্বীপপুঞ্জ গ্রেট-বৃটেনের অধিকারে রয়েছে ১৮৩০ সাল থেকে এবং তা গ্রেট-বৃটেন ও আর্জেন্টিনার মাঝে ভূভাগীয় বিতর্কের বিষয়. ১৯৮২ সালে দু দেশের মাঝে সশস্ত্র সঙ্ঘর্ষ হয়েছিল, যাতে আর্জেন্টিনা হেরে গিয়েছিল. তা সত্ত্বেও, বুয়েনস-আয়ার্সে মনে করা হচ্ছে যে, এটি তাদের দ্বীপপুঞ্জ.