মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান-বাটোরে সোমবার মিছিলকারীরা দেশের ভূভাগে ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন এবং ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানীর অবশেষ সংরক্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে. এ সম্বন্ধে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সি জানিয়েছে মঙ্গোলিয়ার “আইস্ত-মঙ্গোলিয়া” টেলি-চ্যানেলের উদ্ধৃতি দিয়ে. এ মিছিল আয়োজিত হয়েছিল জাপানের “ফুকুসিমা-১” পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে ২০১১ সালের ১১ই মার্চ ঘটা বিপর্যয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে. আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী বলেছে যে, পারমাণবিক বিদ্যুত্ শিল্প, আধুনিক প্রকৌশল সত্ত্বেও, এখনও পর্যন্ত পৃথিবীতে সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং ব্যয়সাপেক্ষ শাখা. এদিকে মঙ্গোলিয়ার সরকার দেশের ভূভাগে সুউন্নত দেশগুলির ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানীর অবশেষ সংরক্ষণ এবং নতুন নতুন ইউরেনিয়াম খনির অনুসন্ধান সম্বন্ধে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে এবং এতে দেশবাসীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছে. তারা চায়, সরকার যেন ফুকুসিমা-১ পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে বিপর্যয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে, যাতে এবারে মঙ্গোলিয়ায় যেন এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে. টেলি-চ্যানেল প্রতিবাদ আন্দোলনের এক অংশগ্রহণকারীকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, “অন্য দেশে ইউরেনিয়াম রপ্তানির সময় বিক্রেতা ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানীর অবশেষ গ্রহণ করতে বাধ্য. এ বিষয়টি আমাদের দেশের জ্বালানী সংক্রান্ত আইনে সূত্রবদ্ধ. তার অর্থ, আমাদের দেশ পারমাণবিক বস্তুর পরীক্ষা-কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে. এ ব্যাপারে আমাদের কিছু করা উচিত্”. খবরে জানানো হয়েছে যে, ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডারের দিক থেকে মঙ্গোলিয়া পৃথিবীতে তৃতীয় স্থানের অধিকারী.