ইউরোপীয় সংঘের দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সিরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহের প্রশ্নে মতামত দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে. জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি লাখদার ব্রাহিমি ঘোষনা করেছেন, যে দুই বছর ধরে চলতে থাকা সিরিয়ায় সংকটের সমাধান সম্ভব শুধুমাত্র রাজনৈতিক উপায়ে.

“সামরিক নিষ্পত্তির প্রশ্ন ওঠেই না. আমি এসেছি এদের কাছে এই অনুরোধ জানাতে, যে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য যথাসাধ্য করতে. আমার স্থিরবিশ্বাস, যে সিরিয়ায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের কোনো বিকল্প নেই”. ব্রাসেলসে সাক্ষাত্কারের পরে ব্রাহিমির মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়েছে এএফপি.

সিরিয়ায় সংকটে ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে. ইউরোপীয় কূটনীতি দপ্তরের প্রধান ক্যাথরিন এ্যাশটনও ঘোষনা করেছেন, যে “সেরা পথ – হিংসা থামানো ও রাজনৈতিক উন্নয়নের জন্য পথ খোঁজা”.

অন্যদিকে ইউরোপীয় সংস্থার অন্তর্গত দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে সিরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ করার প্রশ্নে বাকবিতন্ডা শুরু হয়েছে. বাশার আসাদের শাসন ব্যবস্থার দ্রুত পতন ঘটানোর লক্ষ্যে গ্রেটবৃটেন, ফ্রান্স ও ইতালি সিরিয়ায় অস্ত্র সরবরাহ করার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পক্ষে. জার্মানী, সুইডেন ও অন্যান্য দেশেরা ঘোষনা করেছে, যে এটা হবে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ.