ভারতের কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা সিবিআই দেশের প্রাক্তন বিমান বাহিনীর প্রধান এস. পি. ত্যাগীকে ইতালির এ ডব্লিউ – ১০১ হেলিকপ্টার কেনা নিয়ে প্রতিরক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে চুক্তির সময়ে ঘুষ খাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে. টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভি জানিয়েছে যে, ত্যাগী দেশের বিমানবাহিনীর অধিনায়ক পদে ছিলেন ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ও তাঁকে সন্দেহ করা হয়েছে যে, তিনি ইতালির শিল্প সংস্থা ফিনমেক্কানিকা গোষ্ঠীর অন্তর্গত কোম্পানী অগাষ্টা ওয়েস্টল্যান্ড কোম্পানীর কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন. ত্যাগী নিজে তাঁর কোন রকমের দুর্নীতির সঙ্গে যোগসাজশ সম্বন্ধে অস্বীকার করেছেন. কিন্তু সিবিআই আগে ঘোষণা করেছে যে, তদন্তের সময়ে ত্যাগী ও তাঁর তিনজন মামাতো, খুড়তুতো ভাইদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে.

তদন্তকারী গোয়েন্দারা সন্দেহ করেছেন যে, প্রাক্তন প্রধানের তুতো ভাইয়েরা এই চুক্তির এক সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী গুইদো হাশকের কাছ থেকে এক লক্ষ ইউরো পেয়েছিল ও তার কিছু অংশ ত্যাগীকে দিয়েছিল. অগাষ্টা ওয়েস্টল্যান্ড কোম্পানীর কাছ থেকে ১২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লোকদের পরিবহনের জন্য হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি হয়েছিল ৫৫ কোটি ৬০ লক্ষ ইউরো মুদ্রার, ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে. তিনটি হেলিকপ্টার ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে. ১২ই ফেব্রুয়ারী ফিনমেক্কানিকা সংস্থার প্রধান জ্যুজেপ্পে ওর্সিকে ইতালি রাষ্ট্রে ভারতীয় প্রশাসনের কাছে হেলিকপ্টার বিক্রীর জন্য চুক্তি করার সময়ে ঘুষ দেওয়ার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল. এর পরে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে সরকারি ভাবে ফিনমেক্কানিকা সংস্থাকে এই চুক্তি বাতিলের খবর দেওয়া হয়েছে.