উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদসংস্থা স্তাক শুক্রবার জানিয়েছে, যে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে অনাক্রামণের সব চুক্তি বাতিল করে দিচ্ছে. স্তাক বলছে – “উপদ্বীপকে পারমানবিক শক্তিবিহীন করার সব যৌথ ঘোষনাপত্র শুধু কাগজে পরিণত হয়েছে, এবং উত্তর কোরিয়া আর এমনকি পানমুনঝোমে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সরাসরি যোগাযোগের লাইনও অফ করে দিচ্ছে”.

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বৃহস্পতিবার একবাক্যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরেই উত্তর কোরিয়া এরকম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে. নিষেধাজ্ঞার সংকলকরা ১২ই ফেব্রুয়ারী উত্তর কোরিয়া কতৃক সম্পাদিত পারমানবিক নিরীক্ষার কঠোর সমালোচনা করেছে. নিরাপত্তা পরিষদ এই নির্দেশনামা জারি করেছে, যে পিয়ং-ইয়ংয়ের আর নতুন কোনো রকেট, পারমানবিক নিরীক্ষা ও কোনো প্ররোচনামুলক কাজ করা ন্যায্য হবে না.

জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি লি বাওদুন বলেছেন, যে উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কতৃক গৃহীত নতুন নিষেধাজ্ঞা কোরিয় উপদ্বীপকে পারমানবিক শক্তিবিহীন করার অভিমুখে এক বড় পদক্ষেপ. জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন এই ঘোষনাপত্রকে উপযুক্ত ও ভারসাম্য রক্ষাকারী বলে মন্তব্য করেছেন.

0উত্তর কোরিয়ার শীর্ষনেতা কিম চেন ঈন পীত সাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সীমান্তে ছানঝে ও মু নামক সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন. তিনি আদেশ দিয়েছেন, যে যদি উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌম জলসীমায় একটাও গোলা বর্ষন করা হয়, তাহলে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মারণাত্মক আঘাত হানার. এই মুহুর্তে ঐ এলাকায় দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্টের যৌথ সামরিক মহড়া চলছে.