জাপানের প্রধানমন্ত্রী সিন্দজো আবে মঙ্গলবার ঘোষনা করেছেন, যে তিনি রাশিয়ার সাথে জাপানের সম্পর্কে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করার সংকল্প নিয়েছেন. পার্লামেন্টে বক্তৃতা দিয়ে তিনি বলেছেন, যে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক টোকিওর জন্য বিশেষ তাত্পর্য্য ধারন করে এবং তার উন্নয়নে আখেরে জাপানেরই মঙ্গল হবে.

তবে সেইসঙ্গেই আবে উল্লেখ করেছেন, যে তিনি চারটি কুরিল দ্বীপের অধিকার নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে চান, যাতে বিতর্কিত অঞ্চল নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি করে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা যায়.

জাপান কুরীল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ – ইতুরুপ, কুনাশির, শিকোতান ও হাবোমাইয়ের ওপর অধিকার চায় ১৮৫৫ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সীমান্ত সম্পর্কিত চুক্তির দোহাই দিয়ে. মস্কোর এই প্রশ্নে অবস্থান এই রকম – দক্ষিণ কুরিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাগে পড়েছিল এবং ঐ দ্বীপগুলির উপর রাশিয়ার সার্বভৌম অধিকার নিয়ে কোনো সন্দেহই থাকতে পারে না.