ক্রীড়া ও সুস্বাস্থ জীবণের প্রতীক ধারণ করে. রাশিয়ায় এ নিয়ে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে চিত্রকলার সংগ্রহশালা “শিল্পকলা হবে সবার প্রথমে” শীর্ষক প্রদর্শনী প্রকল্প.

সাংস্কৃতিক অলিম্পিক “সোচি-২০১৪”তে ফেডারেল প্রকল্প হিসেবে তা আত্বপ্রকাশ পেয়েছে. প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভ্লাদিভস্তক শহরে ১লা মার্চ থেকে তা শুরু হয়েছে. ছয়মাসেরও কম সময়ের মধ্যে শীতকালিন অলিম্পিক গেমস শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রাশিয়ার ১২টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে অনুষ্ঠিত হবে এবং শেষ হবে সোচিতে.

শিল্পকলা হবে সবার প্রথমে এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রিয়া নিয়ে স্থানীয় চিত্রশিল্পীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী. সমাপণী প্রদর্শনীর জন্য দেশের খ্যাতনামা জাদুঘর যেমন পিটার্সবুর্গের রুশ জাদুঘর ও এরার্তা আধুনিক শিল্পকর্মের গ্যালারীর বিশেষজ্ঞরা সোচি প্রদর্শনীর জন্য সেরা ছবিগুলো বাছাই করবেন. অলিম্পিক চলাকালিন ওইসব চিত্রকর্ম প্রদর্শনী করা হবে.

এদিকে ভ্লাদিভস্তক শহরের দর্শকরা ইতিমধ্যে প্রদর্শনীর উপকরণের সাথে পরিচিতি লাভ করার সুযোগ পেয়েছেন. স্থানীয় আর্তেইয়েতাজ জাদুঘরে এর আয়োজন করা হয়. জাদুঘরের পরিচালক আলেক্সান্দার গারোদনী জানান, প্রকল্প নিয়ে যে এতো সাড়া পরবে তা আশাকরি নি. নিজের চিত্রকর্ম দেখানোর জন্য আগ্রহীদের সংখ্যা এতো বেশি ছিল যে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা সীমাবদ্ধ রাখতে হয়েছে.

এরার্তা আধুনিক শিল্পকর্মের গ্যালারীর পরিচালক মিখাইল অভচিন্নিকোভ জানান, “এ ধরণের ভিড় থাকা স্বাভাবিক. ক্রীড়া বিষয়টি অনেকের কাছেই আগ্রহের এবং সেই সাথে ছবির ধরণ ও শিল্পকর্মের দিক দিয়েও. মোট কথা হল, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শুধুমাত্র পেশাদারী শিল্পই নয় বরং শখের বসে যারা ছবি আঁকেন তাঁরাও রয়েছেন. এটি প্রকল্প আয়োজকদের অন্যতম একটি শর্ত”.

আজকের দিনে যে কেউ নিজেকে চিত্রকর বলে ঘোষণা করতে পারে. যেমন, ছবি বানাতে পারে অথবা কোন ধরণের সৃজনশীল কাজ করেত পারে. চিত্রশিল্পী বলতে যা বুঝায় তা এখন কেবল দোকানের মধ্যে আটকে রাখা যাবে না এবং তা সবদিকে প্রভাব রাখে. সামাজিক শিল্পকর্ম ও মনস্তাত্বিক শিল্পকর্ম. বর্তমানে পুরো বিশ্বে শিল্পকর্ম বলতে যা বুঝায় তা হচ্ছে নিজের মত করে প্রকাশ করা বরং শিল্পবিদ্যা দিয়ে নয়.

ভ্লাদিভস্তকে প্রদর্শনী ব্যাপক উচ্ছাস ও সাজ সাজ রবের মধ্য দিয়ে শেষ হয়. প্রকল্পরের সমন্বয়কারী নাতালিয়া যিনি নিজেও একজন চিত্রশিল্পী. তিনি বলেন, এ শহর তথা দূরপ্রাচ্যের প্রকৃতি চিত্রকর্মের জন্য বাড়তি উপরকরণ যোগায়, আর তা না হলে কি চলে. তিনি আরো বলেন, “ভ্লাদিভস্তক হচ্ছে, ঘন গভীর আকাশ, অনেক রোদ্যজ্জল দিন, অনেক পাহাড়-পর্বত ও সমুদ্র.... ভ্লাদিভস্তকের সূচনা হয়েছে মূলত এ কারণেই যেন চিত্রশিল্পীরা এ শহর নিয়ে ছবি আঁকেন”.

ভ্লাদিভস্তকের পেশাদার চিত্রশিল্পীরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকর্মের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন. পরবর্তী শহরগুলোতে কোন পক্ষ ভাল ফলাফল করতে পারবে তা সময়ই জানিয়ে দিবে. শিল্পকলা হবে সবার প্রথমে এ প্রকল্প এগিয়ে চলছে খাবারোবস্কে.

সোচি শীতকালিন অলিম্পিক গেমস শেষে সব শিল্পকর্মগুলো জাতীয় ক্রিয়া গৌরব জাদুঘরে নিয়মিত প্রদর্শনীর জন্য স্থান পাবে.