বুধবার সকালে বেরোনো উত্তর কোরিয়ার সংবাদপত্রগুলিতে প্রথম পৃষ্ঠার মুখ্য খবরের হেডলাইন জানিয়েছে গতকালের সফল পারমানবিক বিস্ফোরণের খবর. তারা জানিয়েছে, যে ১২ই ফেব্রুয়ারী ঘটানো বিস্ফোরণ দেশের ভূতপূর্ব নেতা কিম চেন ইরের জন্মদিবসের প্রতি উত্সর্গীকৃত. বিস্ফোরণের আরও একটা লক্ষ্য ছিল দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করা.

আগেই জানানো হয়েছে, যে মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া তৃতীয়বার পারমানবিক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে. দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসার অনুযায়ী, প্লুটোন পারমানবিক বোমার শক্তি ছিল ৭ কিলোটন. ১৯৪৫ সালে হিরোসিমার ওপর ফেলা বোমটির শক্তি ছিল ১৩ কিলোটন. আর রাশিয়ার রকেটে আধুনিক ওয়ারহেড, যেগুলো ‘তোপোল-এম’ এ বসানো আছে, তাদের শক্তি ৫৫০ কিলোটন.

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, যে উত্তর কোরিয়ার তৃতীয় পারমানবিক বিস্ফোরণের শক্তি বেশি নয়. বোঝা যাচ্ছে, যে বোমের উদ্ভাবকেরা শক্তি বাড়াতে সক্ষম হয়নি. তাই এই বিস্ফোরণকে খুব সম্ভবত সফল বলা চলে না.

উত্তর কোরিয়ার ‘ত্সাটাক’ সংবাদসংস্থা ঘোষনা করেছে, যে বোমটি ছিল ছোটো, কিন্তু খুব শক্তিশালী. রাশিয়ার মতে, এটা নেহাত প্রচার মাত্র. এটা করা হয়েছে যাতে সারা বিশ্ব বিশ্বাস করে, যে উত্তর কোরিয়ার হেফাজতে শক্তিশালী ওয়ারহেড আছে, কিন্তু বাস্তবে কি তাই – সেটা বলা মুশকিল.