মিশরের রাষ্ট্রপতি মুহম্মদ মুর্সি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পোর্ট-সঈদ, সুয়েজ ও ইসমাইলিয়ার প্রশাসকদের অধিকার দিয়েছেন নিজেদের বোধবুদ্ধি মতো কার্ফিউ- এর মেয়াদ কমানোর বা প্রত্যাহার করার. ‘মুসলমান ভ্রাতৃত্ব’ পার্টির সূত্র ধরে ‘সিএনএন’ এই খবর দিয়েছে. মিশরের তিনটি শহরে গণআন্দোলন প্রতিহত করার জন্য ২৮শে জানুয়ারী থেকে কার্ফিউ জারি করা হয়েছে. কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি, গতকাল হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় বেরিয়েছিল প্রতিবাদ করতে. তারা কার্ফিউকে পাত্তা দেয়নি. এদিকে মিশরের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দেল ফাতাহ মঙ্গলবার ঘোষনা করেছেন, যে মিশরে রাজনৈতিক দ্বন্দ যদি চলতেই থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই বিপন্ন হতে পারে. মিশরে বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হওয়ার পরে মুহম্মদ মুর্সি বিরোধীদের আলাপ-আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু বিরোধীরা রাজি হয়নি. এদিকে মুসলমান ভ্রাতৃত্ব পার্টির মুখপাত্র জেহাদ হাদ্দাদ বলেছেন, যে “প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য রাষ্ট্রপতির উদ্ধেশ্যে টিপ্পনি নয়, এটা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে. সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ও রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সেনাপ্রধান” – বলেছেন তিনি