দ্বিতীয় আবদাল্লার এই বিশ্বাসের কারণ ব্যাখ্যা না করেই তিনি দাভোস শহরের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেছেন যে, সিরিয়াকে ভেঙে টুকরো করে দেওয়ার জন্য যে কোন প্রচেষ্টাই সারা এলাকার জন্য একটা বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে. জর্ডনের সম্রাটের কথায় আল- কায়দা দল কিছু নির্দিষ্ট শক্তির সহযোগিতা পেয়ে সিরিয়াতে বর্তমানে ঘাঁটি গড়ে বসতে পেরেছে ও তারা এখন প্রতিবেশী দেশ গুলির নিরাপত্তার বিষয়েও এক হুমকিতে পরিণত হয়েছে. এমনকি যদি আগামীকালও সিরিয়াতে সবচেয়ে ভাল প্রশাসন ক্ষমতায় আসে, তাহলেও আমরা আগামী দুই তিন বছর ধরে বাধ্য হব নিজেদের সীমান্তে তালা লাগিয়ে ভাল করে পাহারা দিতে, যাতে সিরিয়ার এলাকা থেকে আমাদের দেশ গুলিতে সন্ত্রাসবাদীরা ঢুকতে না পারে.

সিরিয়ার সরকার দু’বছর ধরে চলা এই বিরোধের সময়ে জানিয়েছে যে, বিদেশী ভাড়াটে সৈন্যদের সাথে এই দেশে আল-কায়দা দলের জঙ্গীরাও ঢুকে পড়েছে আর রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী এর মধ্যেই ষাট হাজারেরও বেশী মানুষ নিহত হয়েছেন. সিরিয়াতে বহু লক্ষ ঘরবাড়ী ধ্বংস ও নষ্ট হয়েছে, বিশাল রকমের অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয়েছে এই দেশে.