সোমবার বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধের মামলায় সামরিক ট্রাইবুন্যাল প্রথম দন্ড ঘোষনা করেছে. চল্লিশ বছর আগে সামরিক অপরাধের অভিযোগে ৬৩-বছর বয়সী কুখ্যাত ইসলামি মৌলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেছে ট্রাইবুন্যাল.

বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জনপ্রিয় ইসলামি শোম্যান মৌলানা আবুল কালাম আজাদকে পাকিস্তানের বিরূদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হিন্দুদের গণহত্যা করার ও শত্রুদের সহযোগিতা করার অভিযোগে দোষী প্রতিপন্ন করা হয়েছে. ফরিয়াদি পক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আজাদ নিজেই ৬ জন হিন্দুকে খুন করেছিল.

এর আগে আবুল কালাম আজাদ ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামি রাজনৈতিক পার্টি – জামাত-ই-ইসলামির কর্ণধার. ঐ পার্টি এই মত প্রকাশ করেছে, যে দেশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিরোধীপক্ষের বিরূদ্ধে আইনী যুদ্ধ চালানো হচ্ছে. বর্তমানে সামরিক ট্রাইবুন্যালের বিবেচনাধীন রয়েছে বাংলাদেশের ১১ জন বিরোধী নেতার বিরূদ্ধে মামলা.

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাঙালি নিহত হয়েছিল. অনুমান, যে অনেককেই খুন করেছিল জামাত-ই-ইসলামি পার্টির কর্মীরা. ২০১০ সালের মার্চ মাসে সামরিক ট্রাইবুন্যাল গঠন করা হয়. তবে আন্তর্জাতিক জনসমাজ তার গুরুতর সমালোচনা করেছে.