২০১১ সালের ১৫ই মার্চ থেকে সিরিয়ায় আভ্যন্তরীন সঙ্ঘর্ষে ৬০ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে. বুধবার এ তথ্য প্রচার করেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানব অধিকার সংক্রান্ত হাই-কমিশনার শ্রীমতী এন. পিল্লাই. পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো বিশ্লেষণের গতিতে সিরিয়ায় ৫৯ হাজার ৬৪৮ জন নিহত ব্যক্তির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে. খবর অনুযায়ী, নিহতদের সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে শুধু সেই সব লোকেদের, যাদের নাম, পদবী এবং তাছাড়া মৃত্যুর দিন ও সময় জানা গেছে. নিহতদের মধ্যে ৭৬ শতাংশের উপর পুরুষ এবং ৭.৫ শতাংশ নারী. বিশ্লেষণে জোর দেওয়া হয়েছে এর উপর যে, ৬০ হাজার নিহত- এটা, সম্ভবত, কম করে দেখানো হয়েছে. গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ লোক নিহত হয়েছে হোমস, দামাস্কাস এবং ইদলিবে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানব অধিকার সংক্রান্ত হাই-কমিশনার বলেছেন যে, এ তথ্যে তিনি শক পেয়েছেন, যা আগে মূল্যায়ন করা সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি. এ দেশে রক্তক্ষয়ের যে ঘটনা চলছে তাকে হাই-কমিশনার “সত্যিকার শক পাওয়ার মতো ঘটনা” বলে অভিহিত করেছেন. পিল্লাই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমালোচনা করেছেন, যা তাঁর কথায়, দু বছর ধরে নিষ্ক্রিয় রয়েছে, আর এদিকে সিরিয়ায় রক্তক্ষয় বন্ধ হচ্ছে না. সিরিয়ায় সশস্ত্র বিরোধীপক্ষ এবং সরকারী বাহিনীর মাঝে সঙ্ঘর্ষ ২০১১ সালের মার্চ থেকে চলছে. রাশিয়া অবিলম্বে হিংসা বন্ধ করার পক্ষে মত প্রকাশ করছে. মস্কোয় মনে করা হচ্ছে যে, সিরিয়ায় রাজনৈতিক উপায়ে সঙ্কট অতিক্রমের সুযোগ আগের মতোই রয়েছে.