মিশরের বিরোধীপক্ষীয় লিবারেল পার্টি ‘দুস্তুরের’ মুখপাত্র ইয়াসের হাওয়ারি বৃটেনের ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ঘোষনা করেছেন, যে মিশরের নতুন সংবিধান বেআইনি ও চার বছর পরে তা আর বলবত থাকবে না. তিনি উল্লেখ করেছেন, যে নতুন সংবিধানের ওপর নেওয়া গণভোটে ভোটদান করেছে মাত্র ৩৩% নাগরিক, যা তার ভাষায়, সংবিধানকে আইনি বলে স্বীকার করার সম্ভাবনা রাখে না. সংবাদপত্রটি উল্লেখ করেছে, যে নতুন সংবিধানের মুখ্য প্রণেতা ‘মুসলমান ভ্রাতৃত্ব’ দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্যে এটাকে অপরিহার্য বলে গণ্য করে. সংবিধান যথেচ্ছ ধর-পাকড় ও শারিরীক অত্যাচার থেকে নিস্তার পাওয়ার বুনিয়াদী গ্যারান্টি দেয়. কিন্তু সংবিধানের সমালোচকেরা সেইদিকে আঙুল তুলে দেখাচ্ছে, যেখানে সাধারন মানুষের বিচার সামরিক ট্রাইবুন্যালকে করার সুযোগ দেবে, বাকস্বাধীনতার ও ধর্মপালন করার সুরক্ষা থাকবে না, মহিলাদের ও সংখ্যালঘুদের অধিকার খর্ব করা হবে. রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মোর্সি ২৬শে ডিসেম্বর নতুন সংবিধানের খসড়া স্বাক্ষর করেছেন.